সাঘাটায় যমুনার ভাঙনে ৩ শ বসতভটিা নদীর্গভেসাঘাটা (গাইবান্ধা) সংবাদাতাঃ র্বষার শুরু থেকেই যমুনার নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় গাইবান্ধার সাঘাটায় যমুনার ভাঙন ভয়াবহ আকার ধারন করেছে। এক সপ্তাহের ভাঙনে উপজেলার ৪টি ইউনিয়নের অন্তত ৩শ ঘরবাড়ি , ১শ একর আবাদি জমি ,গাছপালা নদী র্গভে বিলীন হয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে তেমন কোন পূর্নবাসন উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। ফলে গৃহহীন ওই পরিবার গুলোর অনেকেই মানবতর জীবন-যাপন করছে। এছাড়াও ভাঙন আতঙ্কে রয়ছেে শতশত পরবিার । ভাঙন কবলতি এলাকা গুলো হলো সাঘাটা ইউনিয়নের হাসিলকান্দি গ্রাম, বাশহাটা, গোবিন্দী গ্রাম, ও গজারিয়া ইউনিয়নের জিয়াডাঙা গ্রাম, ঘুড়িদহ ইউনিয়নের চিনিরপটল, হলদিয়া ইউনিয়নের গোবিন্দপুর গ্রাম। ভাঙনের মুখে রয়েছে কমিউনিটি ক্লিনিকসহ প্রায় ১০ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, যমুনা নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় গত এক সপ্তাহে সাঘাটা উপজেলার কয়েকটি ইউনিয়নের ৬টি গ্রামে ভাঙন ভয়াবহ আকার ধারন করেছে। ভাঙনের তীব্রতা বেশি হওয়ায় ভাঙন কবলিত এলাকার লোকজন তাদের ঘরবাড়ি নদীতে বিলীন হওয়ার আগেই অন্যত্রে সরিয়ে নিতে শুরু করেছে। ভাঙনের মুখে রয়েছে গোবিন্দপুর হাইস্কুল, গোবন্দিপুর মন্ডলপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, চর গোবন্দিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, গোবিন্দপুর দাখিল মাদ্রাসা, হলদিয়া বড় আর্দশ বালিকা বিদ্যালয়, দক্ষিন বড় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বড় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, হলদিয়া সরকারি প্রাথমকি বিদ্যালয়, নলছিয়া নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়, নলছিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সাঘাটা ইউনিয়নির গোবিন্দ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ও বড় কমিউনিটি ক্লিনিক ও হাসপাতাল। হলদিয়া ইউপি চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম আশংকা প্রকাশ করে বলেন, জরুরী ভাবে নদী ভাঙন রোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা না হলে এসব স্থাপনাসহ অসংখ্য পরবিাররে বসতভিটা নদী র্গভে চলে যাবে।
[ads1]
[ads2]

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য