Railমো: জাকির হোসেন, সৈয়দপুর প্রতিনিধিঃ সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানার লোহা চুরি কোনভাবেই বন্ধ হচ্ছে না। এর সাথে কারখানার বেশ কিছু রাঘব বোয়াল কর্মকর্তা ও রেলশ্রমিক নেতা জড়িত বলে অভিযোগ উঠেছে।  আসন্ন ঈদ উপলক্ষে লোহা চুরি বৃদ্ধি পেয়েছে। সম্প্রতি একটি পাওয়ার ট্রলিতে ৮ ফিট দীর্ঘ ১৪ পিস রেল লাইন পাচার করার সময় সৈয়দপুর বাইপাস সড়কে এলাকাবাসী তা আটক করেছে। খবর পেয়ে সৈয়দপুর থানা পুলিশ সে গুলো উদ্ধার করে থানায় নিয়েছে। আটককৃত রেললাইনের মূল্য প্রায় ৩ লাখ টাকা বলে জানা গেছে।

সৈয়দপুর থানার ওসি ইসমাইল হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ট্রলির চালক পালিয়ে যাওয়ায় এই রেললাইন গুলো কার মাধ্যমে পাচার হচ্ছিল তা জানা যায়নি। তবে রাতেই পুলিশের পক্ষে বিসি,ইএল এ্যাট ৪ ধারায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

এলাকাবাসী অভিযোগ করে জানায়, প্রায় দিন লাখ লাখ টাকার লোহা পাচার করা হচ্ছে কারখানা থেকে। কারখানা থেকে এ লোহাগুলো পাচার করে গন্তব্যে নিয়ে যাওয়ার সময় পথের মধ্যে বেশ কয়েকবার সেগুলো ট্রাক ভ্যানসহ এলাকাবাসী ও থানা পুলিশের হাতে ধরাও পড়েছে। কিন্ত তার পরেও কারখানায় লোহা চুরি থেমে নেই।

লোহা চুরির সাথে বর্তমানে জড়িয়ে পড়েছে কারখানার বেশ কিছু রাঘব বোয়াল কর্মকর্তা ও কর্মচারী ও রেলশ্রমিক নেতারা। তাদের মাধ্যমে রাতের আঁধারে কারখানার চিহিৃত নিরাপক্তা প্রহরী পাচারে সহযোগীতা করে থাকে। আর এসব লাখ লাখ টাকায় ক্রয় করে থাকে বেশকিছু সিন্ডিকেট গ্র“প। সিন্ডিকেট গ্র“পগুলোর মধ্যে রয়েছে আইনুল, নওশাদ, সুভাস বালতী জা্েবদ ও পাগলী। কারখানা থেকে লোহা চুরির কারনে সৈয়দপুর শহরে গড়ে উঠেছে বেশ কিছু লোহা লক্বরের দোকান। চোরাই লোহার ব্যবসা করে এরা বর্তমানে হয়েছে লাখপতি থেকে কোটিপতি। কেউ কেউ হয়েছে গাড়ী-বাড়ীর মালিক।
[ads1]
[ads2]

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য