SAM_3399বিরামপুর (দিনাজপুর) প্রতিনিধি-দিনাজপুরের বিরামপুরে গত মঙ্গলবার বিকেলে রেলষ্টেশনের ভারতীয়পন্য উদ্ধারকে কেন্দ্র করে বিজিবি-চোরকারবারী সংঘর্ষ চলাকালে বিজিবি গুলিতে চা দোকানদান মোঃ শাহিন এবং দোকানের সহকারী মোঃ সুলতান আলী নামে দুই জন নিহত হয়। ঘটনার জের ধরে বিক্ষুদ্ধ জনতা রেল ও সড়ক অবরোধ এবং ভাংচুর চালায় ।
এ ঘটনায় ২৯ বিজিবি’র হাবিলদার মোঃ আবুল বাশার বাদী হয়ে ৮৭ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত ২৫০ হতে ৩০০ জনের বিরুদ্ধে বুধবার রাতে বিরামপুর থানায় মামলা করেছে। মামলা নম্বর-০৩।
বিরামপুর থানার ওসি মোঃ আমিরুজ্জামান মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ২৯ বিজিবি’র হাবিলদার মোঃ আবুল বাশার বাদী হয়ে ৮৭ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত ২৫০ হতে ৩০০জনের বিরুদ্ধে বুধবার রাতে একটি মামলা দায়ের করেছেন।
মামলার এজাহারে নিহত পুর্ব জগন্নাথপুর গ্রামের মোঃ সুকুর দফাদারের পুত্র মোঃ শাহিন এবং একই এলাকার মোঃ আব্দুর রশিদের পুত্র মোঃ সুলতান আলীর নাম রয়েছে। মামলাটির তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে এসআই মোঃ শাহ আলমকে।
২৯ বিজিবি অধিনায়ক লে. কর্ণেল কোরবান আলী মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, বিজিবি বাদী হয়ে বিরামপুর থানায় চোরাই পথে আনা মালামাল আটকের বিষয়ে ১টি এবং সরকারী কাজে বাধা ও হামলা চালিয়ে দুই বিজিবি কর্মকর্তাকে আহত করার বিষয়ে ১টিসহ মোট দুইটি মামলা দায়ের করেছে।
প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার বিকেল ৫টায় বিরামপুর রেলওয়ে ষ্টেশনে রাজশাহী থেকে আসা তিতুমীর ট্রেনে অভিযান চালিয়ে বিজিবি ভারতীয় কাপড় আটক করে। পরে চোরাকারবারীরা সংঘবদ্ধ হয়ে বিজিবির উপর হামলা চালায় এবং একজন বিজিবি সদস্যকে তুলে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা চালায়। বিজিবি আত্মরক্ষার্থে কয়েক রাউন্ড গুলি চালায়।
এতে উপজেলার পুর্ব জগন্নাথপুর গ্রামের মোঃ সুকুর দফাদারের পুত্র মোঃ শাহিন এবং একই এলাকার মোঃ আব্দুর রশিদের পুত্র মোঃ সুলতান আলী নামে দুইজন নিহত হয়েছে। গুলিবিদ্ধ হয় আরও ৩জন এবং আহত হয়েছে ১৫জন। প্রতিবাদে বিক্ষুদ্ধ জনতা সড়ক ও রেলপথ অবরোধ করে বিক্ষোভ প্রদর্শন করে।
[ads1]
[ads2]

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য