ট্রান্সফরমারনবাবগঞ্জ, দিনাজপুর সংবাদাতাঃ দিনাজপুরের নবাবগঞ্জে র‌্যাবের হাতে পল্লী বিদ্যুতের ট্রান্সফরমার আটক নিয়ে ধুম্রজালের সৃষ্টি হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় বেশ আলোচনা সমালোচনা চলছে। জানা যায় উপজেলার মাহমুদপুর গ্রামের তোজাম উদ্দীনের ছেলে কাজেম আলীর বাড়ীতে অবৈধভাবে পল্লী বিদ্যুতের  ৫টি ট্রান্সফরমার রাখা আছে এমন সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাব-১৩ এর সদস্যরা গত মঙ্গলবার রাতে সেখানে অভিযান চালায় এবং ০৫টি ট্রান্সফরমার,০৫টি হ্যাঙ্গার, বৈদ্যুতিক তার থাকার সত্যতা পায়। ওই ট্রান্সফরমারগুলিসহ বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম তার নিকট থাকার বৈধতা যাচাই করতে গত বুধবার র‌্যাব ও পল্লী বিদ্যুতের কর্মকর্তারা কাজেম আলীর বাড়ীতে যান। কাজেমের পক্ষে গভীর নলকুপের জন্য ওই ট্রান্সফরমারগুলি নিয়ে আসার দাবি করা হয়। তবে দিপবিস-২ এর কর্মকর্তারা জানান, কাজেম আলীর কোনো গভীর নলকুপ নাই। তবে ওই গ্রামের জৗনক আতোয়ার আলি নামে ২০১১ সালে একটি গভীর নলকুপের অবেদন পাওয়া গেছে। কিন্তু ওই নলকুপের জন কাজেম আলির বাড়ীতে পাওয়া ট্রান্সফরমারগুলি বরাদ্দ কি না তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। নাম প্রকাশ না করার শর্তে কতিপয় এলাকাবাসী জানান, কাজেম আলির সাথে দিপবিস-২ এর কর্মকর্তারা যোগসাজশে  বৈদ্যুতিক মালামাল অবৈধভাবে বিক্রয় করে আঙুল ফুলে কলাগাছ বনে যাচ্ছেন। দিপবিস-২ এর সংশ্লিষ্ট এলাকা পরিচালক মোকছেদুল মোমেনিন লিটন জানান, “পল্লী বিদ্যুতে কিছু অসাধু লোক রয়েছেন, যাঁরা কাজেম আলির সাথে যোগসাজশে এসব অপকর্ম করতে পারেন। তবে এ বিষয়ে তিনি কিছু জানেন না বলে জানান।”এ রিপোর্ট  লেখা পর্যন্ত (বিকাল ৫টা)পল্লী বিদ্যুতের কর্র্মকর্তারাও তার বৈধতা আছে মনে করলেও তা সঠিকভাবে জানতে দিনাজপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ এর কার্যালয়ে র‌্যাব ও পল্লী বিদ্যুতের কর্মকর্তারা যাচাইয়ের কাজ করছিলেন। যাচাইয়ের কাজ শেষ হলেই প্রমাণিত হবে কাজেম আলির বাড়ীতেওই বৈদ্যুতিক সরঞ্জামগুলি চোরাইকৃত কিনা।
[ads1]
[ads2]

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য