আত্মসাতকাউনিয়া, রংপুর সংবাদাতাঃ কাউনিয়া উপজেলার ৫নং বালাপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান মো. নুরুল হক এর সীমাহীন দুর্নীতি,স্বজনপ্রীতি ও সেচ্ছাচারিতার মাধ্যেমে সরকারি নিয়ম নীতি লঙ্ঘন করে বিপুল পরিমাণ অর্ধ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে।
লিখিত অভিযোগে জানা গেছে চলতি অর্থবছরে উপজেলা পরিষদের সভায় সিদ্ধান্ত মোতাবেক ইউনিয়ন পরিষদের জন্য স্থাবর সম্প্রতি হস্তান্তর করা ১% এর প্রায় চার লাখ পাঁচ হাজার টাকা তিনটি প্রকল্পের নামে উত্তোলন করে নাম মাত্র কাজ করে মসুদয় অর্থ আত্মসাৎ করেছেন। প্রকল্প তিনটির মধ্যে পরিষদের বাউন্ডারি ওয়াল মেরামত বাবদ ৫০ হাজার,পরিষদের গেইট হইতে ইউপি ভবন পর্যন্ত এপ্রোচ রাস্তা নির্মণ ২লাখ,পরিষদ ভবন ওয়েদার কোট ও প্লাষ্টিক পেইন্ট রঙ করা ১লাখ ৫৫ হাজার টাকা। চেয়ারম্যান তার মন পুত ২জন ইউপি সদস্য জামাত আলী ও আশরাফুল ইসলাম ও তিনি নিজে প্রকল্প চেয়ারম্যান হয়ে বরাদ্দকৃত ৪ লাখ ৫ হাজার টাকা চেয়ারম্যান এর ইউপি ব্যাংক হিসেবে স্থান্তর করে। অর্ত প্রাপ্তির পর ভুয়া প্রকল্প কমিটি গঠন করে প্রকল্পের সদস্যগণ কে কোনো কিছু না জানিয়ে ইউপি সচিবের সাথে যোগ সাজসে ভুয়া বিল ভাউচার তৈরি করে নাম মাত্র এপ্রোচ রোডের কিছু কাজ করে ব্যাংক থেকে প্রায় ৩ লাখ ৮০ হাজার টাকা উত্তোলন করে অত্মসাত করেন। প্রকল্প তিনটির কাজ সুষ্ঠু তদন্ত করলে থলের বিরাল বেরিয়ে আসবে। ইউপি চেয়ারম্যান নুরল হক এর প্রকল্পের নামে অর্থ আত্মসাতের বিষয়ে জেলা প্রশাসক রংপুর,উপ-পরিচালক স্থানীয় সরকার বিভাগ রংপুর,উপজেলা চেয়ারম্যান কাউনিয়া,নির্বাহী কর্মকর্তা কাউনিয়া,প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা বরাবরে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। প্রকল্প চেয়ারম্যান জামাত আলীর কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান আমি এ ব্যাপারে কিছুই জানিনা। অপর প্রকল্প চেয়ারম্যান আশরাফুল ইসলাম জানান বরাদ্দকৃত অর্থ সঠিকভাবে সরকারি নিয়ম অনুযায়ী ব্যয় করা হয়েছে। রঙের কিছু কাজ বাকি আছে তা করা হবে। অর্থ আত্মসাতের বিষয়ে চেয়ারম্যান নুরুল হক এর কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান কোনো অর্থ অত্মসাত করা হয়নি। একটি চক্র আমার সুনাম নষ্ট করার জন্য বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ দায়ের করেছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দ ফরহাদ হোসেন এর কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান  বালাপাড়া চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে একটি অভিযোগের কথা শুনেছি।  কপি পেলে বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হবে। উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ মাহাফুজার রহমান মিঠু জানান অভিযোগের কপি পেয়েছি,বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হবে। এ ব্যাপারে উপ-পরিচালক স্থানীয় সরকার রংপুর সুলতানা পারভীন এর কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান অভিযোগ পেয়েছি এবং কাউনিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে বিষয়টি তদন্ত করে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করতে বলেছি। এলাকাবাসী বিষয়টির দ্রুত তদন্ত দাবি করেছেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে।
[ads1]
[ads2]

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য