নিম্নমানের সেমাই লাচ্ছাদিনাপুর সংবাদাতা ॥ ঈদকে সামনে রেখে রমজান মাস থেকেই দিনাজপুরে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী সেমাই ও লাচ্ছা গুদামজাত করতে শুরু করেছে। সদর উপজেলা পুলহাট, উপশহর, কাশিপুর, মাসিমপুর, হাশিমপুর, মালিগ্রাম, সুন্দরা, সুন্দরবন, চাঁদগঞ্জ, রাজবাটি, মাঝাডাঙ্গা, বিরলের কালিয়াগঞ্জসহ বিভিন্ন এলাকায় এ ভেজাল সেমাই ও লাচ্ছা তৈরী হচ্ছে। এসব নিম্নমানের বেকারী থেকে দিনাজপুরে খুচরা ব্যবসায়ীরা লাচ্ছা ও সেমাই সহ বিভিন্ন পণ্য পাইকারী ক্রয় করেন। এই সুযোগে দিনাজপুরের কিছু অসাধু ও লোভী পাইকারী ব্যবসায়ীরা নিম্নমানের লাচ্ছা সেমাই ও সেমাই কোম্পানীর সাথে যোগসাজস করে খোলা সেমাই নিয়ে রাতের অন্ধকারে বিভিন্ন কোম্পানীর নামে প্যাকেটজাত করে। এইগুলোকে উন্নতমানের সেমাই বলে বাজারে চালায় আর পল্লী অঞ্চলের সহজ সরল মানুষরা এগুলোকে ভাল মনে করে কিনে নিয়ে যায়। দিনাজপুরে ২৫/৩০টি বেকারীর বিএসটিআই অনুমোদন রয়েছে। বাকিগুলো অবৈধভাবে ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। প্রায় ৮/১ বছর থেকে অবৈধ লাচ্ছা সেমাই ব্যবসায়ীদের উচ্ছেদ করতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে মাঝে মাঝে অভিযান চালালেও লাভের লাভ কিছুই হয়নি তারা সব সময় রয়ে যায় ধরা ছোঁয়ার বাইরে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন প্রকৃত ব্যবসায়ী জানান, প্রতি বছর রোজা শুরু হলে অবৈধ সেমাই ও লাচ্ছা গুদামজাত করতে তৎপর হয়ে উঠে। আর যেখানে সেখানে তৈরী হয় নিম্নমানের লাচ্ছা। এসকল নিম্নমানের লাচ্ছা সেমাই বেশীরভাগ রাতে জেলার বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ করা হয়। বাজার হতে কৌশলে প্রত্যন্ত গ্রামের ভিতর বাড়ি ভাড়া নিয়ে এসেমাই তৈরী প্যাকেটজাত করে থাকেন অসাধু ব্যবসায়ীরা। দিনাজপুর সচেতন মহল মনে করেন এসব বেকারী অবৈধভাবে নিম্নমানের খাদ্য সামগ্রী পরীক্ষা নিরীক্ষা ছাড়াই উৎপাদন করে। তাদের জেল জরিমানা কেন? তাদের তো আইনের আওতায় এনে বিচার করা প্রয়োজন। সঙ্গে অবৈধ কারখানা সিল গালা করা প্রয়োজন।
[ads1]
[ads2]

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য