নানা সমস্যায় জর্জরিত পার্বতীপুর রেল স্টেশনপার্বতীপুর(দিনাজপুর)সংবাদাতাঃ বাংলাদেশ রেলওয়ের পশ্চিমাঞ্চলীয় জোনের বৃহৎ ও গুরত্বপূর্ণ দিনাজপুরের পার্বতীপুর রেল স্টেশনের শতাব্দ প্রাচীন ষ্টেশনটির দীর্ঘ ৪৪ বছরেও আধুনিকতার ছোঁয়া লাগেনি। একমাত্র অভার ব্রিজের যাত্রী ছাউনি নেই। ফলে প্রতিদিন হাজার হাজার রেল যাত্রী ও শহরবাসী রোদ ও বৃষ্টি পাথায় নিয়ে পারাপার করছে। এ ছাড়া প্রায় ৫০ হাজার জনসংখ্যা অধ্যুষিত পার্বতীপুর শহর রেলপথ দ্বারা দু’ভাগে বিভক্ত নতুন বাজার ও পুরাতন বাজার এলাকার হাজার হাজার মানুষ প্রতিদিন এই ওভার ব্রীজের উপর দিয়ে চলাচল করে। প্রয়োজনীয় নেই পয়োনিষ্কাশন ব্যবস্থা, ওয়েটিং রুম থাকা সত্ত্বেও থাকে তালাবদ্ধ। নেই টয়লেটের সুবিধা স্টেশনের চারিদিকে প্রাচীর না থাকায় গো-চারণ ভুমিতে পরিণত হয়েছে। প্লাটফর্মে গরুর গবর থাকায় যাত্রীদের কাপড় নষ্ট হচ্ছে। রেল স্টেশনে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা না থাকায় প্রতিনিয়িত যাত্রীদের খোয়া যাচ্ছে মূল্যবান জিনিসপত্র। ফলে কাংক্ষিত সেবা থেকে বঞ্ছিত হচ্ছেন চার লাইনের এ জংশন হয়ে যাওয়া বিভিন্ন পথে হাজার হাজার যাত্রী। ফলে যাত্রী সাধারণের মধ্যে চরম ক্ষোভ আর হতাশা বিরাজ করছে।
রেল সূত্রে জানা গাছে, ১৮৭৯ সালে প্রতিষ্ঠিত ৫টি পাটর্ফম বিশিষ্ট পার্বতীপুর রেল স্টেশন চলাচলকারী ট্রেন সংখ্যার বিচারে দেশের বৃহত্তম রেলওয়ে জংশন। এখান থেকে ৪টি রুটে ব্রডগেজ ও মিটারগেজ রেলপথে আন্তঃনগর, মেইল ও লোকাল ট্রেন মিলে প্রতিদিন ৩৬টি যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল করে। প্রতিদিন এখান থেকে প্রায় ২০-৩০ হাজার যাত্রী বিভিন্ন রুটে যাতায়াত করে। রেল স্টেশনে পানির জন্য হাহাকার চলছে। প্রতিদিন হাজার হাজার রেল যাত্রী পানির অভাবে ছুটাছুটি করতে হচ্ছে। ৪ লাইনের এ জংশনে দিনে মাত্র দুই ঘণ্টা পানি সরবরাহ করা হয়। ১নং পাটফর্মে উত্তরে টিকিট কাউন্টার সংলগ্ন একটা পানির ট্যাপ লাইন ও ২ নং পাটফর্মে দক্ষিণে আরো একটি পানির ট্যাপ লাইন আছে। যাহা দিনের বেশীর ভাগ রেল স্টেশনের চায়ের স্টল গুলোর দখলে থাকে। এতে করে আগত যাত্রীদের রেল স্টেশনে পানির জন্য বিভিন্ন চায়ের স্টল গুলোতে ছুটাছুটি করতে হচ্ছে। কিন্তু বিধিবাম বিস্কুট কিংবা চায়ের বিনিময়ে মিলছে এক গ্লাস পানি।
[ads1]
[ads2

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য