Nirjatonবীরগঞ্জ (দিনাজপুর) প্রতিনিধিঃ বীরগঞ্জে ১৮জুন বুধবার ৫লক্ষ টাকা যৌতুক দাবি গৃহবধুকে নির্যাতন করে পিতার বাড়ীতে বিতারিত করা হয়েছে।
বীরগঞ্জ থানার ৯(৬)/১৫নং-মামলা সুত্রে জানা গেছে, উপজেলার পাল্টাপুর ইউনিয়নে ঘোড়াবান্দ মাদ্রাসা সুপার সাদুল্লাপাড়া গ্রামের ইয়াছিন আলীর ছেলে আব্দুল্লাহ আল মামুন (৩৫) একই উপজেলার নিজপাড়া ইউনিয়নের দাড়িয়াপুর গ্রামের মোঃ নুরুজ্জামানের মেয়ে নাজমুন নাহার (২৮)’র ২০০৪ইং-সালে ৮০হাজার ১০১টাকা দেন মোহর ধার্য করে আনুষ্ঠানিক বিবাহ হয়। বিবাহের সময় মেয়ে-জামাতার সুখের জন্য স্বর্ণালংকা, আসবাবপত্রসহ নগদ পাঁচ লক্ষাধিক টাকা প্রদান প্রদান করে। বিয়ের পর সুখেই কাটছিল তাদের সংসার, যৌতুক লোভী স্বামী বাবার বাড়ি থেকে আরো পাচঁ লক্ষ টাকা নিয়ে আসার জন্য তার স্ত্রীকে চাপ দেয়, টাকা আনতে অপারগতা প্রকাশ করায়। আর এতেই ঘটে বিপত্তি।
যৌতুকের টাকার জন্য প্রায় প্রতিদিনই গৃহবধুর উপর চালানো হতো শারীক ও মানুষিক অত্যাচার নির্যাতন। পরধন লোভী স্বামী তার পিতা-মাতার কুবুদ্ধিতে আবারও পাচঁ লক্ষ টাকা যৌতুক এনে দেওয়ার জন্য তার স্ত্রীকে চাপ প্রয়োগ করে। গত বৃহ¯প্রতিবার দাবির টাকা আনতে আবারও অপারগতা জানালে পাষান্ড স্বামী আব্দুল্লাহ আল মামুন, শশুর ঘোড়াবান্দ মাদ্রাসা সুপার ইয়াছিন আলীর ও শাশুড়ী উম্মে কুলসুম গৃহবধু নাজমুন নাহারকে অমানবিক নির্যাতন করে। তারা ছেলে ইমরান (১০) মেয়ে মৌ (৬) ও মনি (৬)কে ছিনিয়ে নিয়ে গৃহবধুকে বাড়ী থেকে এক কাপড়ে তাড়িয়ে দিয়েছে। সংবাদ পেয়ে গৃহবধুর বাবা নুরুজ্জামান মারাত্বক আহত ও অসুস্থ্য অবস্থায় তিন সন্তানের জননী নাজমুন নাহারকে উদ্ধার করে উপজেলা স্থাস্থ্য কমপে¬ক্সে ভর্তি করেন।
অমানবিক নির্যাতনের ঘটনায় নাজমুন নাহার নিজে বাদী হয়ে স্বামী, শশুর ও শাশুরীসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে ২০০০ইং সালের নারী ও শিশু নিযার্তন দমন আইনের ১১(খ)/৩০ ধারায় বীরগঞ্জ থানায় ৯(৬)/১৫নং-মামলা দায়ের করেছে। বাদীর অভিযোগ আসামীরা প্রকাশ্য বীরদর্পে ঘুরে বেড়াচ্ছে, থানায় গিয়ে তদবির করছে, মামলা তুলে নেওয়ার জন্য চাপসহ প্রাননাশের হুমকি দিচ্ছে কিন্তু পুলিশ তাদের গ্রেফতার করছে না। তিনি জরুরী ভিত্তিতে জেলা পুলিশ সুপারের আশু হস্তক্ষেপে এজাহার নামীয় আসামীদের গ্রেফতার করে আদালতে সোর্পদ করার জোর দাবী জানিয়েছেন।
[ads1]
[ads2]

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য