madok মাদকদিনাজপুর সংবাদাতাঃ পুলিশ ও র‌্যাব-১৩’র চোখকে ফাঁকি দিতে দিনাজপুরে ফেন্সিডিল ব্যবসায়ীরা ব্যবসার  ধরণ ও কৌশল বদল করেছে। কিন্তু  এতেও রেহাই পাচ্ছে না ফেন্সিডিল ব্যবসায়ীরা। ফেন্সিডিল, হেরোইন, গাঁজা, ইয়াবা, নেশা জাতীয় ইনজেকশনসহ মাদকদ্রব্য নিমূল করতে পুলিশ ও র‌্যাব-১৩’র একের পর এক অভিযান মাদক ব্যবসায়ীদের ভাবিয়ে তুলেছে। মাদক ব্যবসা অব্যাহত রাখতে ব্যবসায়ীরা মোটরসাইকেলের বডি, রিক্সার বডি ও মহিলাদের স্পর্শকাতর স্থানে ফিটিং করে ফেন্সিডিল, হেরোইন, গাঁজা, ইয়াবাসহ মাদকদ্রব্য পাচার ও কেনাবেচার পথ বেছে নিয়েছে।  পুলিশ ও র‌্যাব-১৩ নাছোড়বান্দা এদের গ্রেফতার করতে সাদা পোশাকে সোর্স নিয়োগ করেছে। কোতয়ালী পুলিশ ঘন ঘন সারাসী অভিযান শুরু করেছে মাদকদ্রব্য কেনাবেচার চিহ্নিত স্থান গুলোতে। ইদানিং মাদক ব্যবসার সাথে সেবনকারীদের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। মেয়েরাও বিভিন্ন নেশায় আসক্ত হয়ে পড়ছে। কোতয়ালী থানার অফিসার ইনচার্জ একেএম খালেকুজ্জামান পিপিএম মাদক ব্যবসায়ীদের কৌশল পরিবর্তনের সত্যতা স্বীকার করে বলেন, পুলিশও অভিযানের কৌশল পরিবর্তন করেছে। কয়েকদিনে প্রায় ৪’শ ফেন্সিডিল, গাঁজা, হেরোইন, ইয়াবাসহ ৫ জনকে গ্রেফতার করে আদালতে র্সোপদ করা হয়েছে। তিনি চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে বলেন, মাদক ব্যবসায়ীরা কৌশল যত  বদল করবে পুলিশ তৎপর হবে। এদের ছাঁড় নেই। এদিকে একই ভাবে দিনাজপুরে অভিযান শুরু করেছে র‌্যাব-১৩। ক্রাইম প্রিভেনশন কোম্পানী-১’র মেজর মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ-আল-মাহমুদ রাজু এর নেতৃত্বে  অভিনব কায়দায় ২টি মটর সাইকেলের বডিতে ফিটিং করা অবস্থায় ১৪০ বোতল ফেন্সিডিল আটক করে। ৬৯ বোতল ফেন্সিডিল বহনকারী মটরসাইকেল মালিক ও ফেন্সিডিল ব্যবসায়ী রেজাউল ইসলাম পালিয়ে যায়। কিন্তু ৭৬ বোতল ফেন্সিডিল বহনকারী মটরসাইকেল মালিক ও ফেন্সিডিল ব্যবসায়ী মোঃ মোস্তফা মিয়া(৪৫),  পিতা- মৃত ফজলুর রহমান, সাং-জয়রামপুর, ২) মোঃ মোসলেম উদ্দিন (৩৫), পিতা মোঃ আব্দুল জব্বার, সাং-সাইতনকুড়ি, উভয়থানা-কোতয়ালী, জেলা-দিনাজপুর র‌্যাবের হাতে ধরা পড়ে। র‌্যাব জানায়, সীমান্ত এলাকা খানপুর ও কমলপুর এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়। মেজর মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ-আল-মাহমুদ রাজু জানান, কোন মাদক ব্যবসায়ীর সাথে আপোষ নেই। কৌশল বদল করেছে মাদক ব্যবসায়ীরা। তবে র‌্যাব-১৩ কড়া নজর রাখছে মাদক ব্যবসায়ীদের উপর। সম্প্রতিকালে দিনাজপুরে ব্যাপক হারে ফেন্সিডিল, হেরোইন, গাঁজা, ইয়াবাসহ মাদকদ্রব্য পাচার ও কেনাবেচার সাথে সাথে আসক্তদের সংখ্যা ক্রমান্বয়ে বাড়ছে সেই সাথে পুলিশ ও র‌্যাব তৎপরতা বাড়িয়েছে।
[ads1]
[ads2]

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য