Dinajpur pic 3rd 10-06-15শাহারিয়ার হিরুঃ দিনাজপুর পৌরসভার অনুমোদন ছাড়াই নির্মিত বহুতল ভবনের নির্মান কাজ বন্ধ করে দেয়াকে কেন্দ্র করে তুলকালাম কান্ড শুরু হয়েছে। ওয়াইএমসি’র জমির উপর সকল প্রকার পাইলিং, মাটিকাটাসহ ইমারত কার্যক্রম বন্ধ করার নির্দেশ দেয়ার পরও নির্মাণ কাজ বন্ধ না করায় পুলিশের সহযোগিতায় পৌর কতৃপক্ষ এ পদক্ষেপ গ্রহন করে । দিনাজপুর পৌরসভার মেয়র সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম জানান, নকশা অনুমোদন না থাকার পরও দিনাজপুর প্রপাটিজ লিঃ পাইলিং, মাটিকাটাসহ নির্মাণ কাজ শুরু করে। প্রপাটিজের কর্ণধার তমিজউদ্দিনকে নকশা অনুমোদন না হওয়া পর্যন্ত নির্মাণ কাজ স্তগিত রাখার পর পর ৩টি চিঠি দেয়া হয়। চিঠিতে বলা হয় ওই জায়গায় বিরোধ নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত নকশা অনুমোদন স্থগিত করা হয়েছে। এর পরেও পৌর নির্দেশ ও আইনকে উপেক্ষা করে নির্মাণ কাজ অব্যাহত রাখে। তাই পৌরসভা আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করে নির্মাণ কাজ বন্ধ ও নির্মাণ সামগ্রী সরিয়ে নেয়ার ব্যবস্থা নিয়েছে। দিনাজপুরের সম্মিলিত বৃহৎ খ্রিষ্টিয়ান সম্প্রদায়ের পক্ষে এন্টনী এন এন দাস, ডিআর নির্ভয় দাস, সালভাতর পাউরিয়া, নাখালিউস মারান্ডি ও লরেন্স বেক দিনাজপুর জেলা প্রশাসক, দিনাজপুর পৌরসভাসহ ওয়াইএমসিয়ের জাতীয় পরিষদ ঢাকা ক্যাথলিক আর্চ ডায়োসিস, দিনাজপুর ক্যাথলিক আর্চ ডায়োসিসসহ উদ্ধর্তন কর্মকর্তাদের কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন ‘‘দিনাজপুর ইয়াং মেনস্ খ্রীষ্ট্রিয়ান এসোসিয়েসন’’ সভাপতি ফাবিয়ান মন্ডল ও সাধারন সম্পাদক হাবিল লাকড়াসহ কতিপয় ব্যক্তি প্রতিষ্ঠানের কিছু জমি অখ্রীষ্ট্রিয়ান ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে হস্তান্তর করেছেন। এই অভিযোগ নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ওই জমিতে কোন নির্মাণ কাজ না করার পরামর্শ দেয়া হয়েছে বলে মেয়র দাবি করেন। দিনাজপুর কোতয়ালী থানার দায়িত্বরত অফিসার ইনচার্জ ওসি (তদন্ত) হাসনাত বলেন, পৌরসভাকে সহযোগিতা করা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষার স্বার্থেই পুলিশ ওই স্থানে মোতায়েন ছিল। দিনাজপুর প্রোপাটিস লিঃ নির্মিত ৯তলা ভবনের ব্যবসায়িক পার্টনার আফজাল হোসেন ও মিনারুল ইসলাম পৌরসভার নকশা অনুমোদন নেই সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ফায়ার সার্ভিসের অনুমতি পাওয়া গেছে। পরিবেশ অধিদপ্তরের অনুমোদন প্রক্রিয়াধীন। ‘‘দিনাজপুর ইয়াং মেনস্ খ্রীষ্ট্রিয়ান এসোসিয়েসন’’ জমি দিনাজপুর প্রোপাইটিজ লিঃ (ডেভলোভার) জমি ক্রয় করেনি। চুক্তি মোতাবেক ৯তলা ভবন নির্মাণ হবে দিনাজপুর প্রোপাইটিজ লিঃ অর্থে। এর মধ্যে ৭০ শতাংশ প্রোপাইটিজ ও ৩০ শতাংশ প্রতিষ্ঠান পাবে কিন্তু প্রতিষ্ঠানে কোন খরচ হবে না। এদিকে অভিযোগকারী এনটনি দাস লিখিত অভিযোগ করেন সংখ্যালঘু খ্রীষ্টিয়ান সমাজের প্রতিষ্ঠান ভূমি ও সম্পদ গ্রাস এবং আত্বসাতের পরিকল্পনায় এ সম্পদ অন্যোর হাতে হস্তান্তর করা হয়েছে। ডেভলোভারের মাধ্যমে অখ্রীষ্ঠিয়ান ব্যাক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে ওয়াইএমসির জমি হস্তান্তর বা দলিল সম্পাদন করার বৈধ নয়। নৈতিক ভাবে প্রতিষ্ঠানের শৃঙ্খলা ভঙ্গের সামিল। তিনি বলেন, খ্রীষ্ঠান সম্প্রদায়ের অভিযোগের প্রেক্ষিতেই নির্মান কাজ বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।
[ads1]
[ads2]

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য