রাজিবপুরে চৌকিদার-দফাদারদের মানবেতর জীবন-যাপনচররাজিবপুর, কুড়িগ্রাম সংবাদাতাঃ গত ১০ মাস থেকে বেতন-ভাতা না পেয়ে, কুড়িগ্রামের রাজিবপুরের চৌকিদার ও দফাদারদের মানবেতর জীবনযাপন করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। রাজিবপুরের ৩ ইউনিয়নের চৌকিদার ও দফাদারগণ জানান, ২০১৪ইং সালের আগস্ট মাস থেকে মে মাস পর্যন্ত ১০মাস অতিবাহিত হলেও শতকরা ২৫ ভাগ বেতনের অংশ ছাড় দিচেছ না উপজেলা পরিষদ। ইউনিয়ন পরিষদের আয়ের অংশ উপজেলা প্রশাসনের তহবিলে জমা হলেও বেতন দিই দেই করে ১০মাস চলছে। তবু তাদের বেতনের অংশ ছাড় দিচেছ না উপজেলা প্রশাসন। ফলে স্ত্রী-পুত্র পরিজন নিয়ে রাজিবপুর উপজেলার ৩০জন চৌকিদার ও দফাদারগণ মানবেতর জীবন-যাপন করছে। রাজিবপুর ্ইউনিয়ন পরিষদের অধীনে কর্মরত দফাদার আবদুল বারী ও গিয়াস উদ্দিন জানান জীবনের ঝুকিঁ নিয়ে রাত দিন পরিশ্রম করে টেক্স আদায় করে পরিষদে জমা করি। অথচ উপজেলা প্রশাসন আমাদের দিকে নজর দেয় না। আমাদের শুধু খাটাইয়া নেয়। ন্যায্য হিস্যা দেয় না। মোহনগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের চৌকিদার শ্রী লাল পিয়ারী ও শ্রী বিশ্বনাথ জানান,আমাদের তো কোনো আবাদ মৌসুম নেই্। চাকরি টাই আমাদের বেচেঁ থাকার একমাত্র সম্বল। ঘরে এক গাদী পোলাপান। জেলা পরিষদের ধার্য্যকৃত বেতন টা পেলেও উপজেলা পরিষদের বেতনের অংশটা দিচেছ না । কোদাল কাটি ইউনিয়নের চৌকিদার ও দফাদার হযরত আলী,কুদ্দুস ও দিবচান জানান,হাট-বাজারের টেন্ডার কবে শেষ হয়েছে। এখনও আমাদের বেতন দিচেছ না। উপজেলা চেয়ারম্যান ও ইউএনও স্যারকে বলেও আমাদের বেতন পাচিছ না। ফলে স্ত্রী-সন্তানদের নিয়ে খুবই কষ্টে দিন পার করছি । রাজিবপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নুরে-শাহী ফুলের সাথে কথা বললে তিনি জানান,আমরা ৩ চেয়ারম্যান ইউএনও স্যারকে বলেছি তাদের বেতনের অংশ দিয়ে দেওয়ার জন্য। কিন্তু  গত ১০ মাসেও তাদের বেতন-ভাতা কি কারণে দিচেছ না তা বুঝতে পারছি না। উপজেলা অফিস সূত্রে জানান, ফান্ডে টাকা নেই, তাই তাদের বেতনের অংশ দেওয়া সম্ভব হচেছ না।
[ads1]
[ads2]

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য