PHOTO-02গাইবান্ধা প্রতিনিধিঃ বাংলাদেশ রেলওয়ের পশ্চিমাঞ্চলের বামনডাঙ্গায় কর্মরত ওয়েম্যান, ট্রলিম্যান, গেট কিপার, ইলেকট্রিশিয়ান ও খালাসি পদে ৮৪ জন কর্মচারী দীর্ঘ ১৫ বছর কাজ করার পরেও তাদের চাকুরী স্থায়ী করা হয়নি। এব্যাপারে হাইকোর্ট তাদের চাকুরী স্থায়ী করার আদেশ দিলেও তা বাস্তবায়ন করা হয়নি।
চাকুরী থেকে ছাটাইকৃত ওইসব কর্মচারীর চাকুরীতে পুনঃবহাল করা ও স্থায়ী করণের দাবিতে রোববার গাইবান্ধা প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলন ও জেলা শহরের প্রেসক্লাব সংলগ্ন সড়কে এক মানববন্ধনের কর্মসূচী পালিত হয়। এসময় বক্তব্য রাখেন মোঃ জেলাল হোসেন, বিপ্ল¬ব কুমার ঘোষ, মোঃ ফারুক মিয়া, সালাম মিয়া, জামাল মিয়া, আব্দুল মাজেদ, আব্দুল হালিম প্রমুখ।
সংবাদ সম্মেলনে উল্লে¬খ করা হয়, রেলওয়ের ওইসব কর্মচারী ৫ বছর থেকে বিভিন্ন মেয়াদে অস্থায়ী ভিত্তিতে মাস্টাররোলে নিয়োগ প্রাপ্ত হয়ে দায়িত্ব পালন করে আসছিল। রেলওয়ে স্বীকৃত এসব কর্মচারীর মাসিক বেতন ৬ হাজার ২শ’ টাকা হলেও প্রতিমাসে ৪ হাজার ৫শ’ টাকা হারে বেতন দেয়া হয়েছে। এ বিষয়টি মেনে নিয়েও তারা চাকুরী করছিল। রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ বরাবরে তাদের চাকুরী রাজস্ব খাতে স্থানান্তর করে স্থায়ী করণের আবেদন জানানো স্বত্বেও রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ তা না করে বরং ওইসব পদে নতুন লোক নিয়োগ অব্যাহত রাখে। ফলে জীবন বাঁচানোর তাগিদে বাধ্য হয়ে বামনডাঙ্গার ৮৪ জন দরিদ্র রেল কর্মচারী হাইকোর্টে একটি রিট পিটিশন দাখিল করে (নং ২২৪৫)। এই মামলার রায়ে মহামান্য হাইকোর্ট ৭২ ঘন্টার মধ্যে তাদের চাকুরী উন্নয়ন প্রকল্প থেকে রাজস্ব খাতে স্থানান্তরের নির্দেশ দেন। এ প্রেক্ষিতে হাইকোর্টের রায়ের অজুহাত দেখিয়ে আবারও নতুন করে ৯৮ জনকে চাকুরীতে নিয়োগ করা হলেও পূর্বের আবেদন করা ৮৪ জনকে এখনও নিয়োগ করা হয়নি। উপরন্ত গত ৩ মাস থেকে তাদের কাজ এবং বেতনও রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ বন্ধ করে দিয়েছে। ফলে ওই সমস্ত দরিদ্র কর্মচারী পরিবার-পরিজন নিয়ে এখন মানবেতর জীবন যাপন করছে।
[ads1]
[ads2]

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য