আনোয়ার হোসেন, রাণীশংকৈল, ঠাকুরগাও : নসিমন-করিমন বিবি মাতাল করেছে ঠাকুরগাও জেলার সড়ক মহাসড়ক থেকে শুরু করে গ্রাম বাংলার রাস্তাঘাট উত্তাল করে তুলেছে। অশান্ত করেছে বাংলার রাস্তাঘাটের শান্ত সুন্দর পরিবেশ। সরকার অনুমদিত লাইসেন্সবাহি যানবাহন পাত্তা পাচ্ছেনা নসিমন করিমনের দাপটে। ক্ষেত খামার থেকে শুরু করে যানবাহনের পাশাপাশি পণ্যবাহনে জায়গা করে নিয়েছে সর্বত্রই। এসব পরিবহনের যেমন লাইসেন্স থাকেনা তেমনি গাড়ির চালকের নাই কোন লাইসেন্স। সুধিমহলে প্রশ্ন কোন্ বিধিমতে এসব পরিবহন রাস্তায় চলাচল করছে !

বাংলার অবাঞ্চিত নসিমন-করিমন দুর্ঘটনার মুখোমুখি হলে ব্রেক ঠিকমত কাজ না করা সড়ক দুর্ঘটনার মুল কারণ। তাছাড়া যেসব চালক এসব পরিবহন চালায় তারা স¤পূর্ণ অনভিজ্ঞ। দুর্ঘটনার এটিও একটি অন্যতম কারণ রয়েছে। মোটরযান অধ্যাদেশ না মানা এবং সড়ক দুর্ঘটপনা প্রতিরোধের কার্যকর কোন ব্যবস্থা না থাকায় প্রতিবছর সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হচ্ছে ১২ হাজারের বেশী মানুষ। আর্থিক দিক থেকে বিবেচনা করলে এর ক্ষতির পরিমান দাঁড়ায় ৫ হাজার কোটি টাকার বেশী। দুর্ঘটনায় কবলিত যানবাহনের বেশীর ভাগ দুর্ঘটনা ঘটছে কম গতির নিম্নমানের নসিমন করিমন ভটভটি জাতীয় যানবাহনের কারনে।

মহাসড়ক নিরাপদ রাখতে ২০০৫ সালে হাইওয়ে পুলিশ গঠন করা হলেও তারা নসিমন করিমন বন্ধ না করে আয়ের উৎস হিসেবে এসব অবৈধ যানবাহনকে ব্যবহার করছে। সড়ক দুর্ঘটনা এড়াতে ১০ ফেব্রুয়ারী দেশের ১০ জেলার মহাসড়গুলোতে নসিমন করিমন নামের ভটভটি না চলার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। দেশব্যাপী মহাসড়ক থেকে এদের উচ্ছেদ করে নিরাপদ সড়ক চাই শ্লোগানকে মাইলফলক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করি। বন্ধ করা হোক পুলিশি চাঁদা। ফিওে আসুক মহাসড়কের সুস্থ পরিবেশ।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য