রাস্তায় খড় শুকানআবু ছাইদ, ডোমার, নীলফামারী প্রতিনিধি ঃ নীলফামারী জেলার ডোমার উপজেলার প্রধান প্রধান রাস্তাগুলো সহ গ্রামের ছোট ছোট যাবাহন চালাচলের রাস্তাগুলোর উপর ধান ও খড় শুকোনোর ফলে বাস, মিনিবাস, নাইটকোচ, ডেকোচ, মটরসাইকেল, অটোরিক্সাসহ সকলধরণের জানবাহন চলাচলের ব্যাঘাত ঘটছে। এরই ফলে প্রতিদিন দুর্ঘটনার কবলে পড়ে অনেকেই হাত পা ভেঙ্গে পঙ্গুত্ব বরণ করছে।
জানা গেছে ডোমার উপজেলার বোড়াগাড়ী, পাঙ্গা, গোমনাতী, বামুনীয়া ও কেতকীবাড়ী ইউনিয়ন হয়ে ভোগডাবুড়ী ইউনিয়েনের চিলাহাটি আসতে হয়। এই রাস্তাটির মধ্যে বড় বড় খাল-খন্দে ভরপুর থাকা অবস্থায় তার উপর কাঁচাখড় ও ধান শুকানোর প্রতিযোগীতায় মেতে ওঠায় খালখন্দগুলো দেখা না যাওয়ায় যানবাহন চালকরা প্রতিদিন দুর্ঘটনায় পড়ে অনেকেই হাতপা ভেঙ্গে পঙ্গু বরণ করে জীবনযাপন করছে। অপরদিকে ডোমার থেকে ডোমার ইউনিয়ন সহ  জোড়াবাড়ী আংশিককেতকীবাড়ী ও ভোগডাবুড়ী ইউনিয়ন হয়ে চিলাহাটিতে প্রবেশ করতে হয়। একই রাস্তায় চিলাহাটি হয়ে ভাউলাগঞ্জ যেতে হয়। বর্তমানে এই রাস্তাগুলো শুধুমাত্র সংস্কারের অভাবে বড় বড় খাল-খন্দের কারণে পাকা রাস্তাটির কোন চিহ্ন নেই। তার উপর কাঁচাখড় , ধান ও ভুট্টা শুকোনোর নির্দিষ্ট স্থান হিসেবে এই এলাকার কৃষকরা এইরাস্তা গুলোকে  বেছে নেওয়ায় হরহামেশায় দুর্ঘটনায় পড়ে অনেকেই পঙ্গুত্ব বরণ করছেন। এব্যাপারে স্থানীয় প্রশাসনকে বহুবার অভিযোগ করেও কোনপ্রকার ফল পাওয়া যায়নি। উল্লেখ্য গত ১৭ই মে ২০১৫ইং চিলাহাটির দুই সাংবাদিক ডোমার থেকে চিলাহাটি আসার পথে তারাও দুর্ঘটনার শিকার হয়। গত ১৮ই মে ২০১৫ইং চিলাহাটির বিশিষ্ঠ্য ব্যাবসায়ী সাইফুল আর্মী ঠিক একইভাবে দুর্ঘটনার শিকার হয়ে হাত ভেঙ্গে পড়ে আছে। একই দিনে কেতকীবাড়ী ইউনিয়নের মাহবুব ও সলেমান  নামের দুই ব্যাবসায়ী দুর্ঘটনার শিকার হন। ১৯শে মে ২০১৫ইং দুর্ঘটনার শিকার হন জোড়াবাড়ী ইউনিয়নের আজিজুল সাখোয়াত ও নুরজাহান। ২০শে মে ২০১৫ইং দুর্ঘটনার শিকার হন কেতকীবাড়ী ইউনিয়নের ছলেমান , হাচেন আলী, মহব্বত, রেবেকা, ও আনারুল ইসলাম। এই দুর্ঘটনাগুলোর মুল কারণ চলাচলের প্রধান রাস্তায় কাঁচাখড় ধান ও ভুট্টা শুকোনোর কারণে  এব্যাপারে স্থানীয় প্রশাসনের সুদৃষ্টির মাধ্যমে দখলকৃত রাস্তাগুলো উদ্ধার করে চলাচলের জন্য উপযোগী করা।
[ads1]
[ads2]

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য