06_Philipineআন্তর্জাতিক ডেস্ক: ফিলিপাইনের উত্তরপূর্বাঞ্চলীয় উপকূলে ঘূর্ণিঝড় নউলের আঘাতে ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে ও দুইজন নিহত হয়েছেন। রোববার রাতে উপকূলীয় কাগায়ান প্রদেশে আঘাত হানার পর সোমবার ঘূর্ণিঝড়টি কিছুটা দুর্বল হয়ে পড়ে। ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের কাছে ঘন্টায় ১৬০ কিলোমিটার বেগে বাতাস বইছে, যা থেকে থেকে ঘন্টায় ১৯৫ কিলোমিটার পর্যন্ত উঠে যাচ্ছে।
ঘূর্ণিঝড়ের আগাম সতর্কতা হিসেবে উপকূলীয় ওই এলাকাটির তিন হাজারেরও বেশি বাসিন্দাকে আগেই সরিয়ে নেয়া হয়েছে। ঘন্টায় ১৯ কিলোমিটার বেগে এগিয়ে যাওয়া ঘূর্ণিঝড়টি মঙ্গলবার নাগাদ জাপানের দক্ষিণাঞ্চলীয় দ্বীপগুলোতে আঘাত হানতে পারে বলে আবহাওয়ার পূ07_Philipineর্বাভাসে বলা হয়েছে। যুক্তরাজ্যভিত্তিক ‘ট্রপিক্যাল স্টর্ম রিস্ক’ সোমবার ঘূর্ণিঝড় নউলের মাত্রা পাঁচ থেকে কমিয়ে চার মাত্রার ঝড় হিসেবে চিহ্নিত করেছে। নউল দুর্বল হওয়ার পর উপদ্রুত এলাকায় প্রবল বাতাস বয়ে যাচ্ছে ও ব্যাপক বৃষ্টিপাত হচ্ছে।
এতে কৃষিপ্রধান প্রদেশটিতে গাছপালা উপড়ে ও ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয়ে উল্লেখযোগ্য ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন বিচ্ছিন্ন হয়ে বিস্তৃত এলাকা বিদ্যুৎহীন হয়ে পড়েছে। এক রেডিও সাক্ষাৎকারে কাগায়ানের সান্তা আনা টাউনের মেয়র ডারউইন টোবিয়াস বলেছেন, “ঘূর্ণিঝড় সরে যাচ্ছে, কিন্তু আমাদের সমস্যা হল যা কিছু ধ্বংস হয়েছে তা কীভাবে সামাল দেব। উপকূলীয় এলাকায় আমাদের শহরের গরিব বাসিন্দাদের ছোট ছোট বাড়িগুলো ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির শিকার হয়েছে।”
ফিলিপাইনের জাতীয় দুর্যোগ সংস্থা জানিয়েছে, ঘূর্ণিঝড় আঘাত হানার সময় কাগায়ানের অ্যাপারি শহরে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে দুই ব্যক্তি মারা গেছেন। কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ঘূর্ণিঝড়ের আগেই কাগায়ান ও ইসাবেলা প্রদেশের তিনহাজার চারশ বাসিন্দাকে অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে সরিয়ে নেয়া হয়েছে।
[ads1]
[ads2]

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য