জ্বিনের বাদশাডোমার (নীলফামারী) প্রতিনিধিঃ নীলফামারী জেলার ডোমার উপজেলার গোমনাতী ইউনিয়নের দুটি পরিবার জিনের বাদশার খপ্পরে পড়ে আজ সর্বশান্ত হয়ে পড়েছে বলে জানাযায়। ঘটনাটি ঘটেছে গোমানাতীর দক্ষিন আমবাড়ী ছুইচ গেট পাড়ায়।
ঘটনার বিবরণে জানা যায়, উক্ত গ্রামের আনছার আলীর স্ত্রী সুফিয়া খাতুন এবং হাচানুর রহমানের স্ত্রী শরিফা খাতুনের সাথে একই ইউনিয়নের দক্ষিন কেতকীবাড়ী গ্রামের মৃত লতিফর রহমানের পুত্র ছাদেকুর ও তার স্ত্রী রঞ্জনা বেগমের সাথে সু সম্পর্কে সৃষ্ঠি হয়।  এক পর্যায়ে সুফিয়া ও শরিফার বাড়ীতে আসাযাওয়া শুরু হয়। ঠিক সু-সম্পর্কের ফলে রঞ্জনার শরীরে জ্বিন আছে বলে তাদেরকে জানায়। এবং হতাদের বাড়ীতে বহুদিন ধরে একজন ধনী জ্বিন বসবাস করে আসছে। তারা সুফিয়া ও শরিফাকে বলে কিছু নিয়ম মেনে চললে তোমাদের বাড়ীর জ্বিন তোমাদেরকে টাকা পয়সা সোনা দানা দিবে বলে লোভ লালসা দেখায়। বিশ্বাস করাতে তাদের ঘরের ভিতর এক কোণে হাড়ি  মুখ বেঁধে মাটিতে পুতে রাখতে বলে। এবং সুফিয়া ও শরিফা তাই করে। ৭ দিন পর হাড়ি ভর্তি সোনা পাবে বলে রঞ্জনা ও তার স্বামী হাদিয়া স্বরুপ আতব চাউল মুরগ, লুঙ্গি ও নগত কিছু টাকা নিয়ে যায়। ৭ দিন পর যখন তারা এসে হাড়ি মাটি থেকে তুলে তখন হাড়িতে পাওয়া যায় দুটি স্বর্নের রিং। এতে করে সুফিয়া ও শরিফার মনে বিশ্বাস জন্মে। রঞ্জনা বলে তোমাদের হয়তো কোন ভুলের কারনে হাড়ি ভর্তি স্বর্ন দেয়নি। অবশ্যই হয়তো তোমরা বিষয়টি কাউকে বলে বলে ছিলে না হলে হাড়ি ভর্তি সোনা দিত। এবাবে যদি কাউকে বল তাহলে তোমার স্বামী বা সন্তানকে মেরে ফেলবে। এই ভয় দেখিয়ে আবার হাড়ি ঘরের ভিতর পুতে রাখে এবং দুই জনের কাছে ১লক্ষ ১০ হাজার টাকা নিয়ে চম্পট। এই টাকা তারা দ্জুন অন্যের কাছে হাওলাদ ও সুদের উপর নিয়েছে। ৭ দিন পেরিয়ে ১৫ দিন হতে চলে কিন্তু তার রঞ্জনা ও তার স্বামী আর আসেনা অপর দিকে পাওনাদারে যন্ত্রনা। শেষে তার গ্রাম বাসিকে ডেকে হাড়ি তুলে কিন্তু হাড়ি শুধু মাত্র কাপড় মোড়ানো ইট আগরবাতী ও পাথর টুকার পাওয়া যায়। এদিকে জ্বিনের বাদশার মোবাইল ফোন বন্ধ করে আত্মগোপন করেছে। ঘটনা চারিদিকে ছড়িয়ে পড়লে সুপিয়া এবং শরিফার বাড়ীতে লোক জমা হতে থাকে এবং বিষয়টি দেখে আর আপসোস করে। সুপিয়া ও শরিফা পাওনাদারের যন্ত্রনায় এখন বাড়ী ছাড়া। যখনি পাওনাদার আসে তখনি তাদের স্বামীরাও বাড়ী থেকে পালিয়ে যায়। জিনের বাদশা রঞ্জনা এবং তার স্বামী এর আগেও ডিমলা এবং চিলাহাটিতে এরকম মানুষ ঠোকানো কর্মকান্ড ঘটিয়েছে বলে এলাকাবাসী জানান। এলাকাবসী উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষে আসু দৃষ্ঠি কামনা করছেন বিষয়টি সমাধানের জন্য।
[ads1]
[ads2]

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য