mango 2222রাণীশংকৈল (ঠাকুরগাও) প্রতিনিধিঃ ঠাকুরগাও জেলায় প্রায় ৪ হাজার হেক্টর জমিতে আম বাগান ছিলো। গত এক যুগ ধরে এখানে নতুন ভাবে প্রায় সাড়ে ৩ হাজার হেক্টর জমিতে আম বাগান গড়ে উঠেছে। মাটি ও আবহাওয়ার কারনে জেলায় সুস্বাদু আমের ফলন দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। এলাকার মানুষ আম চাষের নতুন স্বপ্নে বিভোর হয়ে উঠেছে। ক্রমেই বাড়তে আছে আম বাগানের সংখ্যা। ন্যাড়া, সূর্যাপুরী, হিমসাগর, গোপালভোগ, আম্রপালি, চন্দনখোসা, বোম্বাই, বেকি, ফজলিসহ নানা প্রজাতির আমের জন প্রিয়তা বেড়েছে দিন দিন।
আমের মুকুল শেষে গুটির ভারে ডালগুলো নুয়ে পড়েছে। চলতি মৌসুমে বড় কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হলে জেলায় ৫০ হাজার মেঃ টন আম উৎপাদনের আশা করা হচ্ছে। যার মূল্য ১০০ কোটি ছাড়িয়ে যেতে পারে।
চাঁপাই নবাবগঞ্জের মতো ঠাকুরগাওয়েও বানিজ্যিকভাবে আম চাষ শুরু হয়েছে প্রায় কয়েক বছর ধরে। দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে ব্যবসায়ীরা এ জেলায় এসে আম বাগান কিনে তাছাড়া মৌসুমে আম কিনে দেশের অন্যান্য জেলায় সরবরাহ করা হয়। আম চাষীরা আমের কোন প্রকার রোগ ব্যাধী না হয় সে জন্য সতর্ক রয়েছে। চালাচ্ছে নিয়মিত পরিচর্যা। চলতি মৌসুমে আমের মুকুল বেশী হওয়ায় বাগান মালিকরা বাগানের দাম আগের তুলনায় বেশী হাঁকাচ্ছেন। বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার ভানর গ্রামের আজিজুর রহমান ও মকলেসুর রহমান জানান, এ বছরে তারা প্রায় ৫০ লক্ষ টাকার আম বাগান কিনে রেখেছেন। বাগান পরিচর্যা ও আম সংগ্রহ করা পর্যন্ত আরো প্রায় ৮ লক্ষ টাকা খরচ হওয়ার সম্ভাবনা আছে। প্রতি বছর প্রায় ১ কোটি টাকার মতো আম বেচাকেনা করে থাকেন বলে আমাদের প্রতিনিধিকে জানান।
ঠাকুরগাও জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক আরশেদ আলী জানান, জেলায় সাড়ে সাত হাজার হেক্টর জমিতে এবার ১৫০লাখ মন আম উৎপাদনের লক্ষমাত্রা ধরা হয়েছে। গড়ে ১২ টাকা মন দরে বিক্রী হলে প্রায় দেড়’শ কোটি টাকার আম বেচাকেনা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
[ads1]
[ads2]

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য