মরিচের বাম্পার ফলনপঞ্চগড়প্রতিনিধিঃ পঞ্চগড়ে রবি মৌসুমে লাগানো মরিচের বাম্পার ফলন হয়েছে। অধিক ফলন ও ভালো দাম পেয়ে মরিচ চাষিদের মনে খুশির জোয়ার বইছে। বুধবার দুপুরে আটোয়ারী উপজেলার আলোয়াখোয়া ইউনিয়নে একটি চাতালে কয়েকজন মরিচ চাষিকে লাল মরিচ শুকাতে ব্যস্ত সময় কাটাতে দেখা যায়। এ সময় কথা হয় বড় সিঙ্গিয়া গ্রামের মো. কফিল উদ্দীনের ছেলে মো. মিজানুর রহমানের সাথে। তিনি এ বছর রবি মৌসুমে আড়াই বিঘা জমিতে মরিচের চারা রোপণ করেছেন। পৌষ মাসের মাঝামাঝি সময়ে রোপণ করে এ পর্যন্ত দু’বার পাঁকা লাল মরিচ তুলেছেন।
মিজানুর জানায়, কয়েকদিন আগে ৩৫ শত টাকা দরে ২ মণ শুকনো মরিচ বিক্রি করেছি। প্রতি বিঘা জমিতে সাধারনত ১৫-১৬ মণ মরিচ পাওয়া যায়। সে অনুপাতে এ বছর অন্য ফসলের লোকসান মরিচে কিছুটা পূরণ হবে বলে আশা করা যায়। ওই এলাকার মরিচ চাষি শ্রী হেরগেরু বর্মন, সুভাস চন্দ্র, খিরত রায়, বিমল রায় ও টুনি বর্মন মরিচের ফলন ও দামে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন। তারা বলেন, শুকনো মরিচের দাম ৩৫ শত টাকা থেকে ৪ হাজার টাকায় পৌঁছালে আমরা কৃষকরা লাভবান হবো।
এই বছর তরমুজ চাষ করে ধরা খায়া গেছি। বাণিজ্যিক ছাড়াও পঞ্চগড়ের বিভিন্ন এলাকায় বাড়ির উঠানে বা পিছনে মরিচের চারা রোপণ করে অন্তত পরিবারের চাহিদা পূরণ করছেন অনেকে। পঞ্চগড় কৃষি সম্প্রসারণ অফিস সূত্রে জানা গেছে, গত বছরের তুলনায় এ বছর মরিচের আবাদ কম হলেও ফলন ভালো হয়েছে। রবি মৌসুমে জেলায় ৩ হাজার ৩২৫ হেক্টর জমিতে মরিচ চাষ হয়েছে। অক্টোবর মাসের ১৬ তারিখ থেকে মার্চের ১৫ তারিখ পর্যন্ত মরিচ চাষের উপযুক্ত সময়। পঞ্চগড়ের মাটি বাঁশগারা, আকাশী, বিন্দু, বালুঝুড়ি ও মেজর জাতের মরিচ চাষাবাদের জন্য উপযোগি।
[ads1]
[ads2]

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য