27.04.2015 protibondi birganjবীরগঞ্জ (দিনাজপুর) প্রতিনিধি : দিনাজপুরের বীরগঞ্জে ভূমিকম্প কাজে লাগিয়ে মোছা: সাদিয়া (৯) নামে এক প্রতিবন্ধী শিশুর বাঁকা পা সোজা করেছে পিতা-মাতা। জন্ম থেকেই শিশুটি প্রতিবন্ধী ছিল। এখন সে স্বাভাবিক ভাবে পায়ের পাতা দিয়ে হাটতে পারছে।

মোছা: সাদিয়া বীরগঞ্জ েেপৗরশহরের থানা পাড়ার মো: আলমের কন্যা এবং ইব্রাহিম মেমোরিয়াল শিক্ষা নিকেতনের তৃতীয় শ্রেণীর ছাত্রী, রোল নং -৩৭।

শিশুটির মা মোছা রোকসানা বেগম বীরগঞ্জ প্রতিদিনকে জানান, জন্ম থেকেই সাদিয়ার ডান পা এবং হাত ছিল বাঁকা। তাই সে পুরো পা পেতে হাটতে পারতো না। খুড়িয়ে খুড়িয়ে হাঁটা চলা করতো। চিকিৎসার জন্য পরিবারের লোকজন বিভিন্ন ডাক্তার, কবিরাজ ও হেকিমের শরণাপন্ন হলেও ফল পায়নি।

রবিবার দুপরে ভূমিকম্প শুরু হলে তার মা-বাবা বাঁকা পা মাটিতে চেপে ধরে থাকেন। এতে অলৌকিকভাবে তার পা ভালো হয়ে যায়। বর্তমানে শিশুটি মাটিতে পায়ের পাতা ফেলে হাঁটা চলা করতে পারছে।

এ ব্যাপারে মোছা: রোকসানা জানান, শিশুটি যখন হাঁটতে শেখে তখন সে ঠিকমত চলতে পারতো না। পায়ের গোড়ালী দিয়ে হাঁটা চলা করতো। একদিন সৈয়দপুর যাওয়ার সময় তার এই অবস্থা দেখে এক বৃদ্ধা ভূমিকম্পের সময় মাটিতে পা চেপে রাখার পরামর্শ দেশ। বৃদ্ধার পরমর্শে তিনি শিশুটির পা মাটিতে চেপে ধরেন এবং ভূমিকম্প শেষে অলৌকিকভাবে তার পা ভালো হয়ে যায়।

প্রতিবেশী দিনাজপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির বীরগঞ্জ এরিয়া পরিচালক জানান, আমি জন্ম থেকেই মেয়েটির একটি হাত এবং একটি পা বাকা দেখে আসছি। কিন্তু আজ মেয়েটি বেশ স্বাভাবিক ভাবে হাটতে দেখে আমি অবাক হয়ে গেছি। এ বিষয়ে বিস্তারিত সাদিয়ার পরিবারের কাছে জানতে পেরে বিষয়টি আমার কাছে অলৌকিক  মনে হয়েছে।

ইব্রাহিম মেমোরিয়াল শিক্ষা নিকেতনের সহকারী প্রধান শিক্ষক মো: আসাদুল ইসলাম দুলাল জানান, মেয়েটি আজ সকালেও খুড়িয়ে খুড়িয়ে বিদ্যালয়ে এসেছিল। তার স্বাভাবিক হাটা চলার ঘটনা জানতে পেরে আমি স্বচক্ষে দেখতে গিয়েছিলাম। বিষয়টি আমার কাছে মিরাক্কেল মনে হয়েছে।
অনলাইন পত্রিকা বীরগঞ্জ প্রতিদিনের সম্পাদক বলেন, আমি বিষয়টি বিশ্বাস করতে না পেরে নিজেই সাদিয়াকে দেখতে তাদের বাড়ীতে যাই। বিষয়টি অবিশ্বাস্য হলেও সত্য। আমার কাছে মনে হয়েছে ভুমিকম্প মেয়েটির জন্য আল্লাহর আশির্বাদ হয়ে এসেছিল।
[ads1]
[ads2]

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য