04. nepal+UNআন্তর্জাতিক ডেস্ক: আট দশকের মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ ভূমিকম্পে নেপালের প্রায় ৬৬ লাখ মানুষ কোনো না কোনভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানিয়েছে কাঠমান্ডুর জাতিসংঘ কার্যালয়। ভূমিকম্পের প্রভাবে মাউন্ট এভারেস্টে তুষার ধসের সৃষ্টি হয় এবং এভারেস্টের বেইজ ক্যাম্পের কিছু অংশ বরফের নিচে চাপা পড়ে।
ভূমিকম্পে এরইমধ্যে নিহতের সংখ্যা ২,৩০০ ছাড়িয়েছে। এখনো বহু মানুষ ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে আছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। উদ্ধার কাজে সাহায্য করার জন্য বিভিন্ন দেশের প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত উদ্ধারকর্মীরা নেপাল পৌঁছেছেন। দুর্গতদের জন্য ত্রাণ সহায়তায়ও পাঠানো হয়েছে। জাতিসংঘেরএকটি দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা দলও রোববার নেপাল পৌঁছেছে।
জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারী জেমি ম্যাকগোল্ডরিক রোববার বলেন, “এরকম ভয়ঙ্কর দুর্যোগের পর নেপাল সরকারকে সাহায্য করতে আমরা পুরোপুরিপ্রস্তুত।” শনিবারের ভূমিকম্পের পর উদ্ধার কার্যক্রমের মধ্যেই রোববার নেপালে আবারও একটি শক্তিশালী ভূমিকম্প হয়েছে। ৬ দশমিক ৭ মাত্রার ওই ভূমিকম্পটিরউৎপত্তিস্থল ছিল নেপালের কোদারি থেকে ১৭ কিলোমিটার দূরে।
ভূমিকম্পের কারণে নেপালের টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থা অনেকটা অচল হয়ে পড়ায় প্রত্যন্ত অঞ্চলে কি পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে সে সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণাপাওয়া যাচ্ছে না। ভূমিকম্পের কারণে অনেক পাহাড়ি রাস্তা ভেঙে গেছে বা ভূমি ধসে বন্ধ হয়ে গেছে। উদ্ধার কাজে গতি আনতে দ্রুত এক স্থান থেকে অন্য স্থানে যওয়ার ব্যবস্থাকরা এখন সবচেয়ে জরুরি বলে মনে করেন ম্যাকগোল্ডরিক।
“ভূমিকম্পের কারণে আর কোনো প্রাণ যেন ঝরে না যায় এখন আমাদের সবার আগে তা নিশ্চিত করতে হবে। সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার ভিত্তিতে আমাদের একাজকরতে হবে।” তবে আগাম মৌসুমি বৃষ্টিপাত উদ্ধার কাজে বাধা সৃষ্টি করতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে জাতিসংঘ। জাতিসংঘের পক্ষ থেকে বলা হয়, “সময়ের আগেই মৌসুমি বায়ু জনিত বৃষ্টিপাত শুরু হলে উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম ব্যাহত হতে পারে।
[ads1]
[ads2]

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য