Gai-Rana-P-Photoগাইবান্ধা প্রতিনিধিঃ রানা প্লাজা ট্রাজেটি দুই বছর পেরিয়ে গেলেও গাইবান্ধার সাদুল্যাপুরে আজও শ্রমিক বিথি খাতুনের (২০) অপেক্ষায় তার বাবা-মা। কারণ, তারা জানে না বিথি আজও বেঁচে আছে নাকি মারা গেছেন। রানা প্লাজার তৃতীয়তলায় কাজ করতেন বিথি। ভবনটি ধসের পর দুই বছর পেরিয়ে গেলেও আজ পর্যন্ত তার কোনো সন্ধান বা খোঁজ পাওয়া যায়নি।
বিথি গাইবান্ধার সাদুল্যাপুর উপজেলার দামোদরপুর ইউনিয়নের মধ্যভাঙ্গামোড় গ্রামের বাবা আব্দুল বারী মিয়া ও মাতা আঞ্জুয়ারা বেগেমের বড় কন্যা। তার বাবা পেশায় একজন দরিদ্র কৃষক। দুই বোন ও এক ভাইয়ের মধ্যে বিথি সবার বড়। ছোট বোন ফাইমার বিয়ে হয়েছে। আর একমাত্র ছোট ভাই স্থানীয় একটি মাদ্রাসায় লেখাপড়া করছে। বিথির বাবা আব্দুল বারী মিয়া এ প্রতিনিধিকে জানান, অভাব-অনাটনের সংসারে কিছুটা সহায়তার জন্য ঘটনার এক বছর আগে সাভারের রানা প্লাজায় কাজ গার্মেন্টসে চাকুরী নেয় বিথি। তিনি আরো বলেন, অভাব মোচনের জন্য মেয়েকে ঢাকায় পাঠিয়ে আজ আমি চিরঅভাবী পিতা হয়ে আছি। বিথির মা আঞ্জুয়ারা বেগম জানান, ২০১৩ সালের ২৪ এপ্রিলের ভয়াবহ সেই ঘটনার এক সপ্তাহ আগে মেয়ের সাথে মোবাইল ফোনে কথা বলেন। ছুটি পেলেই বাড়িতে আসবে বলে জানায় বিথি। আজ দু’বছর পার হলেও মেয়ের পথ চেয়ে আছি।
যখন মেয়ের কথা খুব বেশি মনে পড়ে তখন ওর ছবি বুকে নিয়ে কেঁদে-কেঁদে মনের কষ্ট লাঘবের চেষ্টা করি। বিথির পরিবারের অভিযোগ, এখন পর্যন্ত তারা সরকারি-বেসরকারি কোনো সাহায্য সহযোগিতা পায়নি।
[ads1]
[ads2]

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য