লালমনিরহাটে কবি ও সাহিত্যিক মুকুল রায় সাহিত্যে বিশেষ অবদানের জন্য ঢাকায় “ভাষা দিবস সম্মাননা ২০১৪” এ ভূষিত হয়েছেন। গত ১৮ই ফেব্রুয়ারী ঢাকার জাতীয় যাদুঘর এর কবি সুফিয়া কামাল মিলনায়তনে এক আড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠানে এ সম্মাননা প্রদান করা হয়।

‘জাগো যুবক,’ “ওয়ান্ডার্স মিডিয়া” ও “বাংলাদেশ সাহিত্য সংস্কৃতি সংসদ” এবং “শান্তি ফাউন্ডেশন” এর যৌথ আয়োজনে ‘মহান একুশ ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা রক্ষায় করণীয়’ শীর্ষক এক সেমিনারের আয়োজন করা হয়। এ অনুষ্ঠানে সাহিত্য-সংস্কৃতিসহ সমাজে বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশেষ অবদান রাখায় মুকুল রায়সহ বিশিষ্ট ব্যক্তিগণকে এ ভাষা দিবস সম্মাননা দেয়া হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে  মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম, মোজাম্মেল হক এমপি এ সম্মাননা প্রদান করেন।

উল্লেখ্য যে, কবি মুকুল রায় ইতপূর্বে কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বারাভাঙ্গা হলে ‘কবি সত্যেন্দ্রণাথ দত্ত সম্মাননা-২০১৩’, কলিকাতার যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ইন্দুমতি হলে ‘টালিগঞ্জ অতন্দ্র সাংস্কৃতিক সংসদ সম্মাননা-২০১২’ এবং পশ্চিম বাংলার ‘স্বামী বিবেকানন্দ স্মারক সম্মাননা-২০১২’ ছাড়াও ঢাকাস্থ ‘চন্দ্রছাপ সম্মাননা ২০১৩’ এবং রংপুর, দিনাজপুর, পাবনাসহ বিভিন্নস্থানে সম্মাননা প্রাপ্ত হন। তিনি একজন সরকারী পদস্থ কর্মকর্তা। তিনি লালমনিরহাট সদর উপজেলার কুলাঘাট ইউনিয়নের বরুয়া গ্রামে এক সম্ভ্রান্ত হিন্দু পরিবারে জন্মগ্রহন করেন। তাঁর বাবা প্রয়াত শ্রী গোবিন্দ চন্দ্র রায় এবং মাতা শ্রীমতি গঙ্গা রাণী (প্রয়াত)।

তাঁর বাবা একজন প্রখ্যাত সমাজ সংস্কারক ছিলেন। তিনি শিক্ষার প্রসারে এলাকায় অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন। এছাড়া তিনি তৎকালে বৃহত্তর রংপুর অনচরের প্রথম হিন্দু সমাজের নানা কুসংস্কার দুর করেন এবং সমাজের তীব্র প্রতিকূলতার বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে প্রথম বিধবা বিবাহ প্রথা চালু করে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেন।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য