নার্সারীর গাছ কেটেবিরল সংবাদাতা ॥ জমিজমার মালীকানার জের ধরে বিরলে নার্সারীর বিভিন্ন প্রজাতির শতাধিক চারা গাছ কেটে প্রায় লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি করেছে প্রতিপক্ষরা। প্রতিপক্ষরা নার্সারীর গাছ কেটে ঘর নির্মানের চেষ্টা করলে পুলিশ কাজ বন্ধ করেছে দিয়েছে। নার্সারী মালিক চারাগাছ হারিয়ে এখন পথে বসার উপক্রম হয়েছে।
জানা গেছে, উপজেলার পৌর শহরের শংকরপুর মৌজার ৯৩৩ দাগের ৫২ শতক জমির ক্রয় সূত্রে মালিক মৃত পীর মোহাম্মদের পুত্র জালাল উদ্দীন ও মরহুম আব্দুল জলিল। উক্ত সম্পত্তির মালিকদ্বয়ের কাছ থেকে বিগত ক’বছর পূর্বে একই এলাকার হানিফ এর পুত্র শহিদুল ইসলাম বাৎসরিক চুক্তি নিয়ে নার্সারী স্থাপন করে বিভিন্ন প্রজাতীর গাছের চারা রোপন করে সে ভোগ দখল করে আসছিল। এরই মাঝে শহিদুল কিছুদিন পর জানতে পারে উক্ত জমিটি সরকারের ভেষ্টেট প্রোপার্টি হিসাবে তালিকা ভূক্ত রয়েছে। তাই সে উপজেলা ভূমি অফিসে যোগাযোগ করে নিজ নামে ডিসিআর কেটে লীজ নেয়ায় জালাল উদ্দীন ও জলিলগংকে আর চুক্তির টাকা প্রদান করেনি। এরই আক্ষেপে গত বুধবার সকালে জলিল ও জালাল উদ্দীনগংরা দলবদ্ধ হয়ে শহিদুলের নার্সারীর ছোট বড় বিভিন্ন প্রজাতির শতাধিক গাছের চারা কেটে ফেলে কাঁচা ঘর নির্মানের চেষ্টা করে। শহিদুলের প্রায় অর্ধ লক্ষাধিক টাকার ক্ষতিসাধন করে। শহিদুল এর পরিবারের লোকজন বাঁধা দিতে আসলে জালাল উদ্দীনগংরা বিভিন্ন প্রকারের হুমকি প্রদর্শন করে। নিরুপায় হয়ে নাসার্রীর মালিক শহিদুল ইসলাম বিরল থানায় আশ্রয় নিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ঘর নিমার্ন কাজ বন্ধ করে দেয়। শহিদুল ইসলামের নাসার্রীর বিভিন্ন প্রজাতীর শতাধিক চারা কেটে সাবার করায় পথে বসার উপক্রম হয়েছে সে। ঘটনায় শহিদুল সংশ্লিষ্ট প্রশাসনসহ মানবাধিকার সংগঠন ও সচেতন মহলের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। এ ব্যাপারে জালাল উদ্দীন গংদের ওয়ারিশগনরা জানায়, গত ১০/০৯/১৯৯৪ ইং তারিখে মরহুম ডাঃ আব্দুল কাদের এর নিকট হতে আব্দুল জলিলের নামে উক্ত দাগে ৪৫ শতক দলিল নং-৭৯৭২ ও একই তারিখে জালাল উদ্দীনের নামে একই দাগে ৭ শতক  দলিল নং- ৭৯৭৩ নং মুলে জমির মালিক হয়ে ভোগ দখল করিয়া আসিতেছি। ভোগ দখলে থাকা অবস্থায় শহিদুলের নিকট বাৎসরিক চুক্তিতে নাসার্রী করার জন্য দেয়া হয়েছিল বলে দাবি করছে। অপরদিকে, নাসার্রী মালিক শহিদুল ইসলাম ভিপি সম্পত্তি হিসেবে তালিকাভুক্ত থাকায় আমি  উপজেলা ভুমি অফিস হতে লীজ গ্রহন করে ১৩৭৪ বাংলা হতে ১৪২১ বাংলা সন পর্যন্ত ৯৩৩ দাগের ৩৪ শতক জমির খাজনা পরিশোধ করে ডি.সি.আর সংগ্রহ করেছি বলে জানান। উক্ত সম্পত্তি জলিল, জালাল গংরা ক্রয় সুত্রে এবং শহিদুল ইসলাম লীজসুত্রে মালিকানা দাবি করায় উভয় পক্ষের মাঝে টানটান উত্তেজনা বিরাজ করছে। যে কোন মুহুর্তে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আশংকা রয়েছে বলে সচেতন মহল মনে করছেন।
[ads1]
[ads2]

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য