নারী_14305দিনাজপুর প্রতিনিধিঃ পার্বতীপুরে সনাতন ধর্ম সম্প্রদায়ের মেয়ে মুসলমান হয়ে বিয়ে করলেন প্রেমিককে। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার চন্ডিপুর ইউপির জাহানাবাদ দাঁড়ারপাড় গ্রামে। অতঃপর ধর্মান্তরীত হয়েও স্বামীর ঘর করতে পারলোনা জোতি।
জানা যায়, পার্বতীপুর শহরের মুজিবাবাদ মহল্লার ওজিত রায় দাস এর কন্যা পার্বতীপুর ডিগ্রী কলেজের বি,এস,এস প্রথম বর্ষের ছাত্রী জোতি রানী দাস (২০) সংগে একই কলেজের ছাত্র জাহানাবাদ দাঁড়ারপাড় গ্রামের তৈয়ব আলীর পুত্র সোহাগ আলম(২২) ভালবাসার সর্ম্পক গড়ে উঠে। দীর্ঘ ২ বছরের ভালবাসার মানুষকে কাছে পেতে গত ৫ এপ্রিল সাবালিকা জোতি রানী দাস বাবার বাড়ী ছেড়ে ঠাকুরগাঁও আদালতে গিয়ে নোটারী পাবলিক এ এ্যাডঃ মোবারক হোসেনের কাছে ৬৭৩/১৫ এফিডেভিডের মাধ্যমে সনাতন ধর্ম ত্যাগ করে জান্নাতুল ফেরদৌস জোতি নাম রেখে ইসলাম ধর্ম গ্রহন করেন। একই নোটারী পাবলিক এ ৬৭৪/১৫ এফিডেভিড মুলে জান্নাতুল ফেরদৌস জোতি প্রেমিক সোহাগ আলমকে নোটারী পাবলিকের মাধ্যমে বিয়ে করে এবং কাজী অফিসে গিয়ে বিয়ে রেজিস্টার করে নেয়।
এ ঘটনায় মেয়ের পিতা ওজিত রায় বাদী হয়ে পার্বতীপুর মডেল থানায় অভিযোগ দায়ের করলে পার্বতীপুর মডেল থানা পুলিশ গত শুক্রবার স্বামী সোহাগ আলম ও স্ত্রী জান্নাতুল ফেরদৌসকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে।
রাতেই সোহাগ আলমের পরিবার কোট এফিডেভিট ও বিয়ের কাবিন নামা পুলিশকে হস্তান্তর করেছে। থানায় জোতির সাথে সারাদিন নিকট অত্মীয়দের স্ব-শরীরে কথা বলে। এত বিভিন্ন কথা বার্তায় এবং পারিবারিক চাপের মধ্যে সনাতন ধর্ম ত্যাগ করা জোতি বিভ্রান্তীতে পড়ে যায়। পরে গত শক্রবার সন্ধায় মডেল থানায় স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান আফছার আলীসহ অনেক গন্য-মান্যদের উপস্থিতিতে মুসলেকা নিয়ে জোতিকে বাবা’র কাছে ফিরে দেয়া হয়, সেই সাথে খোলা তালাকে পাতায় সোহাগ আলমের কাছ থেকে স্বাক্ষর নেয়া হয়।
থানায় শালিস শেষে চেয়ারম্যান আফছার আলী বলেন, ছেলে ও মেয়ে উভয়ে সাবালক। ধর্মান্তরীত হওয়া জোতি ও সোহাগকে আদালতে হাজির করলে হয়তো জোতিকে আবার সনাতন ধর্মালম্বী পিতার কাছে যেতে হতো না। শনিবার রাতে এ রির্পোট লেখা পর্যন্ত ধর্মত্যাগী জোতি এখন ইসলাম র্ধম ত্যাগ করেনি বলে জানা গেছে।
[ads1]
[ads2]

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য