Dinajpur pic 09-04-15দিনাজপুর জেলা প্রতিনিধিঃ ক্যান্সার, বুকের ব্যাথা, পেটের ব্যাথাসহ বিভিন্ন রোগী, এতিম, অসহায় মেয়ের বিয়ে ও সমাজের উন্নয়নমূলক বিভিন্ন কার্যক্রম এবং মাদকদ্রব্য প্রতিরোধের ভূমিকায় যে নামটি সহসায় দিনাজপুরবাসীর মুখে উচ্চারিত হচ্ছে তাহলো বিশ্বজিৎ ঘোষ কাঞ্চন। বয়স আনুমানিক ৪০ বছর। থাকেন ক্ষেত্রীপাড়া নামক মহল্লায়। দিনাজপুর শহরের কেন্দ্রস্থল রায় সাহেবের বাড়ি নামক স্থানে সকাল ৬টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত বিভিন্ন অসুখে আক্রান্ত রোগী, এতিম, অসহায় শত শত মানুষের ভীড় লেগেই থাকে। কাউকে ঔষধ, কাউকে নগদ টাকা আবার কাউকে দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, দিনাজপুর সদর হাসপাতাল, জিয়া হার্ট ফাউন্ডেশনসহ বিভিন্ন হাসপাতাল, ক্লিনিকে যাওয়ার পরামর্শ দিয়ে বিদায় করছেন। আবার সংগে সংগে মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল ক্লিনিকে ফোন করে আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করছেন। অভাব, অনটন, মেয়ের বিয়েসহ অসহায়ত্বের প্রতি সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিচ্ছেন। দীর্ঘদিন ধরে এ অবস্থা বিরাজ করায় মানুষ বিশ্বজিৎ ঘোষ কাঞ্চনের নাম দিয়েছেন ‘‘কবিরাজ’’।  দিনাজপুরের সকল স্তরের মানুষ সব কাজের মানুষ বিশ্বজিৎ ঘোষ কাঞ্চনকে ডাক দিচ্ছেন কবিরাজ করে। এছাড়াও দিনাজপুর সদর আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক বিশ্বজিৎ ঘোষ কাঞ্চন রাজনৈতিক চেতনার আদলে সমাজের বিভিন্ন স্তরে রয়েছে সামাজিক দায়িত্ববোধ। যা তিনি পালনে পিছপা হন না। তবে মাদকদ্রব্যের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে রয়েছেন তিনি। তার এই গৌরবময় কৃতিত্ব ও প্রশংসা এখন দিনাজপুরসহ সারা দেশে ছড়িয়ে পড়েছে। এই কৃতিত্বের সুবাধে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ শীর্ষ পর্যায়ের মন্ত্রী, হুইপ, সাংসদসহ প্রশাসনের শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তারা এক নামেই চেনেন বিশ্বজিৎ ঘোষ কাঞ্চনকে। বিশ্বজিৎ ঘোষ কাঞ্চনের এই গৌরবময় কৃতিত্বের সুবাধে মহাত্মা গান্ধী স্মৃতি পরিষদ আনুষ্ঠানিক ভাবে মহাত্মা গান্ধী পীস এ্যাওর্য়াড’’১৪ সম্মাণে ভূষিত করেছেন। স্মৃতি পরিষদের সভাপতি ও কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা উপাচার্য গোলাম মওলা ও মহাসচিব দেলোয়ার হাসান এ এ্যাওর্য়াড প্রদানকালে বলেন, পেট্রোল বোমা, ককটেল ও সন্ত্রাসের কবল থেকে দেশের মানুষকে ফিরিয়ে আনতে বিশ্বজিৎ ঘোষ  কাঞ্চনের মত সারা দেশে আরও অনেক মানুষের প্রয়োজন রয়েছে। যে সব মানুষ অসহায়দের পাশে নিঃস্বার্থ ভাবে দাঁড়াবেন। জাতীয় সংসদের  হুইপ ইকবালুর রহিম এমপি বলেন, এই অল্প বয়সে জনপ্রিয়তায় আসক্ত হয়ে উঠেছে কাঞ্চন। স্ত্রীকে সময় দেয়ার সময় তার নেই। তাই সমাজ সেবার পাশাপাশি সংসার জীবনেও তাকে ফিরে আসতে হবে। তবে বিশ্বজিৎ ঘোষ কাঞ্চনের মত আরও মানুষ আমাদের প্রয়োজন। গতকাল বৃহস্পতিবার রায় সাহেবের মাঠে অসংখ্যা মানুষ ফুলেল শুভেচ্ছা দিয়ে কাঞ্চনকে অভিভনন্দন জানান।
[ads1]
[ads2]

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য