মরিচের ভালো ফলনডোমার, নীলফামারী প্রতিনিধিঃ জেলার ডোমার উপজেলার কৃষকরা ব্যবসার জন্য মরিচ উৎপাদন করে ন্যায্য দাম পাচ্ছে না বলে তারা হতাশ হয়ে পড়েছে। ডোমার উপজেলার কয়েকটি ইউনিয়নে কৃষকরা উচ্চ ফলন প্রকৃয়ায় মরিচ উৎপাদন করায় বাম্পার ফলন হয়েছে। ডোমার উপজেলার চিলাহাটি, গোসাইগঞ্জ, আমবাড়ী, বোড়াগাড়ি, মিরজাগঞ্জ ও ডোমারে মরিচ পাইকারী বিক্রয় হয়। এসব হাট বাজার গুলো থেকে প্রতি দিন ট্রাকে ট্রাকে মরিচ দেশের রাজধানী ঢাকা সহ বিভিন্ন স্থানে নিয়ে যান পাইকারী ব্যবসায়ীরা। কৃষকরা মরিচ বিক্রি করে উৎপাদনের বিনিয়োগ ও কৃষকের খাটনির সাথে কোন ভাবেই গড়ে নিতে পারছে না বলে জানা যায়। মরিচের উৎপাদক ও বিশ্লেষকরা কোন ভাবে বুঝে উঠেনি কেন এই মরিচের দাম কম। এলাকার কৃষকরা বাধ্য হয়েই কম দামে মরিচ বিক্রি করছে। উপজেলার ১০টি ইউনিয়নে প্রায় শত শত বিঘা জমিতে হাজার হাজার মন মরিচ উৎপাদন হয়েছে। এই উপজেলায় পূর্বের তুলনায় বর্তমানে মরিচের ভাল উৎপাদন হয়। এলাকায় মরিচের মৌসুমে আমদানী বাড়লে পাইকারী ফড়িয়া ব্যবসায়ীরা সুযোগ বুঝে দাম কমে দেয়। ফলে কৃষকদের কম দামে মরিচ বিক্রি করতে হয়। এতে করে চরম ভাবে লোকসান খেতে হয় কৃষকদের। মরিচ চাষীদের সাথে কথা বলে জানা যায়, নুতন মরিচ বাজার ওঠানোর সময় ভাল দাম পাওয়া যায় আর আমদানী বাড়ার সাথে সাথে দাম কমতে থাকে। প্রায় সময় তারা নাম মাত্র মরিচ বিক্রি করে। কিন্তু এবারে তার উল্টো নতুন মরিচ বাজারে এনেই দাম পাচ্ছে না। উপজেলার হাট বাজার গুলোতে দেখা যায় কৃষকরা মরিচ বিক্রি করছে প্রতি কেজি ৫/৭ টাকা দরে। কৃষকদের অভিযোগ হাড়ভাঙ্গা খাটুনি করে মরিচ উৎপাদন করে খরচের টাকাই উঠাতে পারছে না। হয়তো পাইকার-ফড়েয়ারাই সিন্ডিকেট করে তারাই লাভবান হচ্ছে। কোন কোন হাটে আড়তদার, পাইকার, ফড়েয়া ও ব্যাপারীই দাম নির্ধারন করে দেন আর সেই দামেই আমাদের মরিচ বিক্রয় করতে হয। তারা বলেন কৃষি উপকরনের দামের তুলনায় মরিচ সহ যে কোন সবজির দাম কম। জমি তৈরী, সার, কীটনাশক ও শ্রমিকের দাম মেটাতেই সব শেষ হাতে আর কিছুই থাকে না। তাই তারা বলেন জোর দাবি জানান, আমাদের এই বিষয়ে উর্দ্ধোতন কর্তৃপক্ষের যদি কোন রকম সহযোগীতা করার থাকে তাহলে অবশ্যই যেন আমাদের দিকে সুদৃষ্টি দেন।
[ads1]
[ads2]

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য