ডিমলা, নীলফামারী প্রতিনিধিঃ নীলফামারীর ডিমলা সরকারি বালিকা বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যাপক অনিয়ম ও দুনির্তীর অভিযোগ উঠেছে। জানা যায়,উক্ত বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক অন্যত্র বদলি হওয়ার পর হতে বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করে আসছেন সহকারী শিক্ষিকা কোহিনুর বেগম। ৬ষ্ঠ শ্রেনীতে ভর্তির জন্য সরকারিভাবে ৬০টি আসন থাকলেও ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোটা অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নিয়ে ৬৫ জনকে ভর্তি করেন। ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ৭জনকে ভর্তির জন্য ৫০ হাজার টাকা করে আদায় করে। ৯ম শ্রেণির উপবৃত্তি দেয়ার নাম করে প্রত্যেক ছাত্রীদের নিকট ১হাজার করে টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ করে অবিভাবকগন। প্রাকাশ্যে ৯ম শ্রেণির ক্লাশে ১ হাজার টাকা করে ৫০ জন ছাত্রীর নিকট ৫০ হাজার টাকা নেয়ার অভিযোগ পাওয়া যায়। তিনি এলাকার স্থানীয় হওয়ায় সরকারি নিয়ম নীতির তোয়াক্কা না করে ৬ষ্ঠ শ্রেনীতে অতিরিক্ত ৭ জন ভর্তি পরীক্ষায় অকৃতকার্য শিক্ষার্থীকে ভর্তি করান। এ ব্যাপারে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক কোহিনুর বেগম বলেন, সরকারিভাবে ৬ষ্ঠ শ্রেনীতে ৬০টি আসন থাকলেও ভর্তি করা হয়েছে ৬৭ জনকে। উপবৃত্তিতে উৎকোচ প্রসঙ্গে বলেন, নতুন উপবৃত্তিতে আপিল করার জন্য শিক্ষার্থীদের নিকট ১হাজার টাকা করে আদায় করা হয়েছে। বিষয়টি অনিয়ম প্রসঙ্গে বলেন, উপবৃত্তির আপিল করতে হলে খরচ করতে হবে সে কারণে কোনো অনিয়ম হয়নি। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক অভিভাবক অভিযোগ করে বলেন, ওই শিক্ষক প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পাওয়ার পর হতে বিদ্যালয়ের স্বাভাবিক পাঠদানে বিঘœসহ বিদ্যালয়ের স্বাভাবিক পরিবেশ ভেঙে পড়ায় তার বদলির দাবি করেছেন। বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের ভর্তি কমিটির সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রেজাউল করিম বলেন, ৬ষ্ঠ শ্রেনীতে ৬০টি আসনে ভর্তির জন্য ৬০জনকে মেধাক্রম অনুসারে ফলাফল দেওয়া হয়েছে। কি কারণে প্রধান শিক্ষক ৫জন বেশি শিক্ষার্থী ভর্তি করেছে বিষয়টি তদন্ত করা হবে। তিনি আরও বলেন, ৭ জন শিক্ষার্থীকে ভর্তির বিষয়ে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আমাকে কিছু জানাইনি।
[ads1]
[ads2]

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য