ভারতীয় সীমান্ত ঘেরা সর্ব উত্তরের জেলা পঞ্চগড়ে মাদকের কালো থাবা থেকে যুব সমাজকে রক্ষায় আইন-শৃংঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ভ’মিকা সকল মহলে প্রশংসনীয় হয়ে উঠেছে। জানা গেছে, ২০দলীয় জোটের অবরোধ-হরতালে আইন-শৃংঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ব্যস্ততার সুযোগে মাদকসেবী ও ব্যবসায়ীদের দৌরাতœ্য উল্লেখযোগ্যহারে বৃদ্ধি পায়। এতে সন্তানদের ভবিষৎ নিয়ে চরম অনিশ্চয়তা দেখা দেয় অভিভাবক মহলে। এ পরিস্থিতি থেকে উত্তরনে পঞ্চগড় থানা পুলিশ, গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ, র‌্যাব ও ১৮ বিজিবি ব্যাটালিয়নের যৌথ অভিযানে জেলার ডজনখানেক মাদক ব্যবসায়ী আটক হয়। তাদের  নিয়মিত মামলায় ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে বিভিন্ন মেয়াদে জেলহাজতে পাঠানো হয়। এতে সীমান্ত এলাকা থেকে শুরু করে জেলার একাধিক মাদকস্পটে মাদসেবীদের আনাগোনা অনেকাংশে কমে গেছে। সম্প্রতি পঞ্চগড় জেলা প্রেস ক্লাবে ‘জেলার উন্নয়ন শীর্ষক মতবিনিময়’ সভায় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মাদক রোধে আইন-শৃংঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রশংসা করেন সভার প্রধান অতিথি পঞ্চগড়-২ আসনের সাংসদ এ্যাড. নুরুল ইসলাম সুজন। এ সময় মাদককে জাতীয় সমস্যা আখ্যায়িত করে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার প্রতি গুরুত্বারোপ করেন তিনি। বর্তমানে জেলার সীমান্তবর্তী এলাকাগুলোতে বিজিবি’র কড়া নজরদারির কারণে মোটরসাইকেল আরোহীদের দৌরাতœ্য নেই বললেই চলে। কিছুদিন আগে সদর থানা পুলিশ ও ডিবি পুলিশের অভিযান চালিয়ে শহরের পুরোনো কয়েকজন মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করে। এদিকে জেলা শিল্পকলা একাডেমীতে র‌্যাবের অস্থায়ী ক্যাম্প বসানোর পর অনেক মাদক ব্যবসায়ী পালিয়ে বেড়াচ্ছে। র‌্যাবের একটি সূত্র জানায়, মাদক, অস্ত্রসহ বেশকিছু অপরাধীর নামের তালিকা নিয়ে তারা মাঠে নেমেছেন। অপরদিকে মাদকের সহজলভ্যতা দূর হওয়ায় বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ ও অভিভাবকমহলে স্বস্তি ফিরে এসেছে। তারা মাদক রোধে আইন-শৃংঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রশংসনীয় এই তৎপরতা অব্যাহত রাখতে প্রশাসনের প্রতি অনুরোধ জানান।
এ ব্যাপারে পঞ্চগড় জেলা পুলিশ সুপার মো. আবুল কালাম আজাদ জানান, মাদকের ব্যাপারে কেউকে ছাড় দেওয়া হয়না। মাদক নির্মূলে পুলিশ জিরো টলারেন্স নীতিতে এগিয়ে যাচ্ছে। শ্রীঘ্রই মাদকমুক্ত পঞ্চগড় জেলা ঘোষণা করা হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
[ads1]
[ads2]

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য