মহানগরীর খটখটিয়ায় নিহত কলেজ ছাত্র ফরিদের বাড়িতে ককটেল হামলা চালিয়েছে দুর্বৃত্তরা। এ সময় ২টি ককটেল বিস্ফোরিত হয় এবং ১টি তাজা ককটেল উদ্ধার করে পুলিশ। রবিবার রাতে এই ককটেল হামলা চালানো হয়। এ ঘটনায় রাতেই নিহত ফরিদের পিতা মজিবর রহমান বাদি হয়ে আমিনুর ইসলাম, পুত্র হেলাল, বেলাল, দুলালের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত ২ জনকে আসামি করে কোতয়ালী থানায় বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে একটি মামলা দায়ের করেছেন।

উল্লেখ্য, গত বছরের ২৩ ডিসেম্বর রংপুর মহানগরীর ৪নং ওয়ার্ডের খটখটিয়ায় জমিজমা বিরোধের জের ধরে প্রতিপক্ষের হাতে খুন হয় স্থানীয় মসজিদের ইমাম মজিবর রহমানের পুত্র ফরিদ (২০)। ওই ঘটনায় জড়িত ৯ জনের নাম উল্লেখ করে কোতয়ালী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন নিহতের ভাই নাজমুল হোসেন।

এদিকে মামলা দায়েরের প্রায় দু’মাস অতিবাহিত হলেও পুলিশ এখন কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি। এ ঘটনায় এলাকাবাসী দ্রুত আসামিদের গ্রেফতারের দাবি জানিয়ে কয়েক দফা বিােভ মিছিলসহ জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের কার্যালয় ঘেরাও এবং স্মারকলিপি প্রদান করে। পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বারবার হত্যাকারীদের গ্রেফতারের আশ্বাস দিলেও শেষ অবধি কেউ গ্রেফতার হয়নি।

এরই মাঝে উচ্চ আদালতের একটি জামিন পত্র দেখিয়ে আসামিরা প্রকাশ্যে এলাকায় ঘুরে বেড়ানোর পাশাপাশি মামলার বাদি ও তার পরিবার এবং সাক্ষীদের বিভিন্নভাবে হুমকি দিয়ে আসছে। আসামিদের অব্যাহত হুমকির ঘটনায় কয়েকটি জিডিও করা হয়েছে। এদিকে রবিবার রাতে একদল দুর্বৃত্ত নিহত ফরিদের বাড়িতে ৩টি ককটেল ছুড়ে মারলে বিকট শব্দে ২টি বিস্ফোরিত হয়।

এ সময় বাড়ির লোকজন ঘরের ভিতরে থাকায় প্রাণে বেঁচে গেছে। পরে খবর পেয়ে কোতয়ালী থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ১টি তাজা ককটেল উদ্ধার করে। কোতয়ালী থানার ওসি আব্দুল কাদের জিলানী ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছেন।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য