Modhoparaমধ্যপাড়া কঠিন শিলা প্রকল্পের উত্তেলিত অবিক্রিত পাথর নিয়ে বিড়ম্বনার শিকার হয়েছে খনি কর্তৃপক্ষ। রাখার জায়গা না থাকলেও দিন দিন বাড়চ্ছে অবিক্রিত পাথরের মজুদ। খনি সূত্রে জানা গেছে বর্তমানে অবিক্রিত পাথরের পরিমাণ ৫ লাখ মে.টন। পাথরের পরিমাণ দিন দিন আরোও বৃদ্ধি পাচ্ছে।
জানা গেছে বর্তমানে মধ্যপাড়া খনিতে জার্মানিয়া ট্রাস্ট কনসোডিয়াম জেটিসি পাথর উত্তোলনের দায়িত্ব নেয়ার পর থেকে ৩ শিপ্টে পাথর উত্তোলন শুরু করে। এতে প্রতিদিন ৩ থেকে সাড়ে ৩ হাজার মে,টন পাথন উত্তোলন হচ্ছে, কিন্তু সেই পরিমাণ পাথর প্রতিদিন বিক্রি না হওয়ায় প্রতিদিনে অবিক্রিত পাথরের মজুদ বৃদ্ধি পাচ্ছে।
অবিক্রিত পাথরের মজুদ বৃদ্ধি হওয়ার কারণ হিসাবে খনি কর্তৃপ চলৎ হরতাল অবোরোধকে দায়ী করলেও পাথর বিক্রি ডিলারেরা বলেছেন ভিন্ন কথা। বলছেন খনি থেকে ৫ প্রকার পাথর উত্তোলন হয়, যেমন ০৫/২০মিমি, ২০/৪০মিমি, ৪০/৬০মিমি, ৬০/৮০মিমি ও বোল্ডার। বাজারে বেশিরভাগ সময় ০৫/২০ সাইজের পাথর বেশি চাহিদা থাকে, কিন্তু বোল্ডারের চাহিদা সব সময় থাকে না, এ ছাড়া খনি থেকে রেলওয়েতে পাথর পরিমামের ডায়ানামিক যন্ত্রটি দীর্ঘদিন থেকে বিকল হয়ে পড়ে থাকলেও এখন পর্যন্ত তা সচল হয়ে উঠেনি। ফলে নানাবিধ অসুবিধায় ক্রেতারা এখান থেকে পাথর অনীহা প্রকাশ করছে।
এ বিষয়ে মধ্যপাড়া গ্রনাইড মাইানং কোম্পানীর মহাব্যাবস্থাপক মির আবদুল হান্নান বলেন, চলন্তগতিতে পাথর পরিমাপের যন্ত্র ডায়ানামিক যন্ত্রটি ২০১৩ সালে বর্জপাতের কারণে বিকল হয়ে যায়, কিন্তু ওই বছরের শেষে খনিটির উত্তোলন ও রা-বেণের জন্য বেসরকারি কোম্পানি জিটিসির সঙ্গে চুক্তি হওয়ায় ঐ যন্ত্রটি মেরামতের দায়িত্ব তাদের নিকট অর্পন করা হয়, তারা বিদেশ থেকে প্রকৌশলী এনে তা মেরামত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে অতএব অল্প সময়ের মধ্যে সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে। তিনি বলেন মধ্যপাড়া খনির পাথর যেকোনো পাথরের চেয়ে অনেক উন্নত মানের এবং এখান থেকে পাথর পরিবহন করতেও খরচ অনেক কম, ফলে মধ্যপাড়া খনিটি থেকে দেশীয় কোম্পানি পাথর কিনলে বৈদেশিক মুদ্রার অপচয় রোধ হয়। এইজন্য তিনি মধ্যপাড়ার পাথর প্রতিটি প্রকল্পে ব্যবহার করার পরামর্শ দেন।
[ads2]

[ads1]

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য