Tamakরংপুরের কাউনিয়া উপজেলায় চাষিদের তামাক চাষে নিরুৎসাহিত করার তেমন কোনো বাস্তব পদক্ষেপ নেই। উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে তিস্তা নদীর জেগে উঠা চরে তামাক চাষ হচ্ছে চোখে পড়ার মতো। অন্যান্য ফসলের চেয়ে কম খরচে বেশি ফসল ও ভালো দাম পাওয়ায় চাষিরা এ ফসল করতে বেশি আগ্রহী। একসময় উপজেলার হারাগাছ এলাকা দেশের বিড়ি শিল্পের জন্য বিখ্যাত ছিল। এখানে একসময় শতাধিক বিড়ি কারখানা ছিল। এ কারখানা গুলিতে হাজার হাজার শ্রমিক কাজ করে জীবন জীবিকা নির্বাহ করতো। সে সব শ্রমিকরা নানা মরণ ব্যাধীতে আক্রন্ত। বর্তমানে কারখানা কিছু বন্ধ হলেও যে সব কারখানা চালু আছে তাদের কিছু দালাল আছে যাঁরা কৃষক কে তামাক চাষ করতে উৎসাহিত করে। তারা প্রচার চালায় তামাকের গদ্দা আলু চাষে ভালো কাজে লাগে। বিক্রয় করতে কোনো বেগ পেতে হয় না। এ ছাড়াও দেশের কিছু নামি দামি কোম্পানি তামাক চাষের জন্য কৃষকদের আগাম লোন দেয় এবং আগাম তামাক কিনে নেয়। কৃষকরা দামও পায় ভাল। এ ফসল বিক্রয় করতে তাদের কোনো বেগ পেতে হয় না। অনেক কৃষকের সাথে কথা বলে জানা গেছে তারা রেডিও টেলিভিশনে ধুম পান স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতি কর শুনেছে কিন্তু তামাক চাষ ক্ষতি কর তা শোনে নি। তামাক জাতীয় দ্রব্য ব্যবহারের ফলে ক্যান্সার সহ মারাত্মক মারাত্মক মরণ ব্যাধী হলেও তামাক চাষ বন্ধে কাউনিয়া উপজেলার তেমন কোনো প্রচার প্রচারণা লক্ষ্য করা যায় নি। কাউনিয়া উপজেলায় প্রায় ৩শ হেক্টর জমিতে তামাক চাষ হয়েছে। এ ব্যাপারে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শামিমুর রহমান এর কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান তামাক চাষের ক্ষতি কর দিক তুলে ধরে কৃষক দের বুঝিয়ে এর বিকল্প ফসল গম ভুট্টা সরিষা চাষে আগ্রহ সৃষ্টিতে কাজ করা হচ্ছে। কাউনিয়া উপজেলায় তামাক চাষ বন্ধে চাষিদের প্রনদনা দিয়ে বিকল্প ফসল চাষ ও সচেতনতা সৃষ্টিতে কাজ করার জন্য প্রকল্প গ্রহণ করা প্রয়োজন বলে বিজ্ঞ মহল মনে করছেন।
[ads2]

[ads1]

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য