Lasনিখোঁজ হবার ২৯ দিন পর অপহৃত আশরাফুলের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। গত সোমবার ভোর রাতে পীরগঞ্জ থানা পুলিশ চতরা ইউনিয়নের গৌরীশ্বেরপুর গ্রামের বন্যাআশ্রয় কেন্দ্রের একটি পরিত্যক্ত সেপ্টিট্যাংক থেকে ওই লাশ উদ্ধার করে। এ ঘটনার পর উত্তেজিত জনতা হত্যাকা-ের হোতা আব্দুল খালেকের বাড়িসহ আশপাশের ১০/১২টি ঘরবাড়ি ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগ করে পুড়িয়ে দেয়। পুলিশ জানায়, গত ১৮ জানুয়ারি রাতে উপজেলার চতরা বন্দরের মোটরসাইকেল শো-রুমের মালিক অনন্তপুর (চতরা) গ্রামের আব্দুস সামাদের ছেলে আশরাফুল ইসলামকে মোবাইল ফোনে ডেকে নিয়ে অপহরণের পর ৩ লাখ টাকা মুক্তিপন দাবি করে দুর্বৃত্তরা। এ ব্যাপারে অপহৃত আশরাফুলের স্ত্রী মোরশেদা বেগম বাদি হয়ে পীরগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। পুলিশ ঘটনার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে গৌরীশ্বেরপুর গ্রামের খলিলের ছেলে আব্দুল খালেক, আব্দুল খালেকের স্ত্রী-রিপা বেগম ও চতরা ইকলিমপুর গ্রামের মৃত-আব্দুল জলিল মিয়ার ছেলে মোস্তফা কামালকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃতরা রিমান্ডে নেয়ার পর পুলিশেরকাছে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করে। তাদের দেয়া তথ্য অনুযায়ী গত সোমবার রাতেই চতরাহাট থেকে পুলিশ উপজেলা প.প বিভাগে কর্মরত ফার্মাসিষ্ট চতরার রাঙ্গামাটি গ্রামের ডা: মকবুল হোসেন ও চতরা গ্রামের করমতুল্যার ছেলে পল্লী চিকিৎসক-আজাহার আলীকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃতদের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী বর্নিত স্থানের সেপ্টিট্যাংক থেকে গত সোমবার ভোররাতে লাশ উদ্ধারপূর্বক মঙ্গলবার সকালে ময়নাতদন্তের জন্য রংপুর মর্গে প্রেরণ করে। একিট সূত্র জানায়, হত্যাকা-ের সাথে এলাকার রাঘোব বোয়ালরা অনেকেই জড়িত রয়েছে। অবশ্য তদন্তের স্বার্থে পুলিশ এখনই মুখ খুলছে না। এদিকে এ হত্যাকান্ডকে ধামাচাপা ও ভিন্নখাতে প্রবাহে একটি প্রভাবশালী মহল উঠে-পড়ে লেগেছে বলে নিহতের পরিবার অভিযোগ করেছে।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য