Dhanআরিফ উদ্দিন, গাইবান্ধা থেকেঃ গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলায় সেচ পাম্পে পল্লী বিদ্যুতের সংযোগ না দেওয়ায় ৬০ বিঘা জমিতে এবছর সেচ সুবিধার আওতায় ইরি-বোরো চাষ ব্যাহত হওয়ার আশংকা দেখা দিয়েছে। ফলে অর্ধ-শতাধিক কৃষক চরম বিপাকে পড়েছেন।
জানা গেছে, ফুলছড়ি উপজেলার গজারিয়া ইউনিয়নের কাতলামারী গ্রামের মৃত. সাহেব উদ্দিনের পুত্র রহিম উদ্দিন তার সেচ পাম্পে বিদ্যুৎ সংযোগের জন্য গাইবান্ধা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতিতে আবেদন করলে সমিতির কর্মকর্তারা সেচ পাম্পটি পরিদর্শনের পর তাদের নির্দেশ মোতাবেক ট্রান্সফরমার ক্রয়সহ বিদ্যুৎ সংযোগের জন্য অন্যান্য প্রয়োজনীয় কাজ সম্পাদন করা হয়। অতপর গত ৩ ফেব্রুয়ারী ২০১৫ তারিখে সকালে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কালিরবাজার অভিযোগ কেন্দ্রের লাইনম্যান উক্ত সেচ পাম্পের ট্রান্সফরমার ও মিটার স্থাপন করে।
কিন্তু অজ্ঞাত কারণে স্থাপিত মিটারটি আবার খুলে নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর অদ্যাবধি ওই সেচ পাম্পে আর বিদ্যুৎ সংযোগ দেয়া হয়নি। ফলে সেচ পাম্পের আওতাভূক্ত ৬০ বিঘা জমিতে সদ্য রোপিত ইরি-বোরো আবাদ নিয়ে কৃষকরা এখন বিপাকে পড়েছেন। এব্যাপারে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে লেয়ার দূরত্ব আইনে ৭৫০ ফুটের কম দুরত্বে এই সেচ পাম্পটি থাকায় এখন সংযোগ দেয়া হচ্ছে না। অথচ এই নিয়ম না মেনে গাইবান্ধা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি ইতোপূর্বে ওই সেচ পাম্প থেকে মাত্র ২৭০ ফুট দুরত্বে আব্দুস ছালাম আজগর নামের ব্যক্তিকে সেচ পাম্পে বিদ্যুৎ সংযোগ দেয়া হচ্ছে।
এ ব্যাপারে গাইবান্ধা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজারের পক্ষ থেকে বলা হয়, স্থানীয়ভাবে একটু সমস্যা হওয়ার কারণে সেচ পাম্পটিতে বিদ্যুৎ সংযোগ স্থগিত করা হয়েছে। সমস্যা সমাধান করে দ্রুত ওই সেচ পাম্পে বিদ্যুৎ সংযোগ দেয়া হবে। এতদসত্ত্বেও এই চুড়ান্ত জলসেচ কবে নাগাদ বিদ্যুৎ সংযোগ দেয়া হবে তা এখনও অনিশ্চিত।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য