দিনাজপুর প্রতিনিধি॥ আমদানি করা পণ্যের ওজন নিয়ে ভারতীয় ট্রাকচালক ও বাংলাদেশি আমদানিকারকদের মধ্যে দ্বন্দ্বের পরিপ্রেক্ষিতে দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দরে বৃহস্পতিবার তৃতীয় দিনের মতো আমদানি-রফতানি বন্ধ রয়েছে।
আমদানি করা পণ্য ওজনে কম হওয়া নিয়ে বিরোধের কারণে মঙ্গলবার আমদানি-রফতানি বন্ধ করে দেয় ভারতীয় ট্রাকচালকেরা।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন ভারতীয় ট্রাকচালক জানান, ভারতের হিলি বালুপাড়া পার্কিংয়ে ওজন মেশিন থেকে পণ্য ওজন করে বাংলাদেশে পণ্য নিয়ে আসেন তারা। তাই বন্দরের পোর্ট মেশিনে ওজনে কম হওয়ার কোনো সুযোগ নেই। তাছাড়া পানামা পোর্টে এক ট্রাকের পণ্যই দুইবার ওজন করা হলে দুই রকম ওজন দেখায়। তাই বিষয়টি বিভ্রান্তিকর।
হিলি স্থলবন্দরের পানামা পোর্টের সহ-ব্যবস্থাপক এস এম হায়দার জানান, পানামা পোর্টে মেশিনটি প্রতি মাসে সার্ভিসিং করা হয়। এতে সর্বোচ্চ ১০/২০ কেজি হেরফের হতে পারে; এর বেশি নয়। তাই ভারতীয় ট্রাকচালকদের অভিযোগ সত্য নয়। ওজনে কম বিষয়ে বাংলাদেশের ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করায় গত রোববার পানামা পোর্টের ওজন মেশিন ঘিরে রাখেন ভারতীয় চালকেরা। তারা নিজেদের দোষ অন্যের ওপর চাপানোর চেষ্টা করছেন।
বন্দরের কাস্টমস সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহমান লিটন জানান, আদমদানি করা পণ্য ‘ওয়্যারহাউজ পানামা পোর্টে’ ওজন করা হয়। ভারতীয় ট্রাকের আমদানি করা পণ্য বন্দরের মেশিনে ওজন করা হলে ৫০ থেকে ২০০ কেজি পর্যন্ত কম হয়। বিষয়টি ভারতীয় ব্যবসায়ী ও ট্রাকচালকদের একাধিকবার জানানো হলেও তারা কোনো সমাধান করেননি। উপরন্তু মঙ্গলবার থেকে তারা পণ্য আমদানি- রফতানি বন্ধ রেখেছেন।
এ বিষয়ে হিলি চেকপোস্টে গত রোববার ভারতীয় ট্রাকচালক ও ব্যবসায়ীদের সঙ্গে তাদের আলোচনা হয়েছে বলে জানান তিনি। তিনি বলেন, ‘ওই দিন সমাধান ছাড়াই আলোচনা শেষ হয়। তবে আমদানি-রফতানি সচল রাখতে আরও আলোচনা হবে।’



 

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য