কাশী কুমার দাস ॥ বাংলাদেশ জাতীয় যহ্মা নিরোধ সমিতি (নাটাব) দিনাজপুর জেলা শাখার সভাপতি তাহের উদ্দিন আহমেদ বলেছেন, যহ্মা একটি জীবানু ঘটিত রোগ। এক নাগাড়ে তিন সপ্তাহের বেশী কাশি থাকলে কফ পরীক্ষা করা দরকার। নিয়োমিত ক্রমাগত সঠিক মাত্রায় ও নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত ঔষধ সেবনের মাধ্যমে যহ্মা রোগ সম্পূর্ণ ভালো হয়। নতুন যহ্মা রোগীর হার সব ধরনের যহ্মা রোগের ক্ষেত্রে প্রতি লাখে প্রতি বছর ২২৫জন আক্রান্ত হয় এবং যহ্মায় মৃত্যুর হার প্রতি লাখে প্রতি বছর ৪৩ জন। যহ্মা রোগ প্রতিরোধ করতে ইমামদের সচেতনা বৃদ্ধির কাজের এগিয়ে আসতে হবে। বৃহস্পতিবার চিরিরবন্দর উপজেলার আউলিয়াপুকুর ইউনিয়নে এজেড রেসিডেন্সিয়াল মডেল স্কুলের হলরুমে জাতীয় যহ্মা নিরোধ সমিতি (নাটাব) আয়োজিত ইমাম সাহেবদের নিয়ে উপজেলা যহ্মা বিষয়ক মত বিনিময় সভায় তিনি সভাপতির বক্তব্যে উপরোক্ত কথাগুলো বলেন। প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেণ চিরিরবন্দর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পঃপঃ কর্মকর্তা ডাঃ আব্দুল মজিদ সরকার। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন মেডিকেল অফিসার ডাঃ মোছাঃ মমতাজ বেগম ও এজেড রেসিডেন্সিয়াল মডেল স্কুলের প্রিন্সিপাল মোঃ জাকির হোসেন। যহ্মা বিষয়ক আলোচনা করেন নাটাব কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের আঞ্চলিক প্রতিনিধি দিনাজপুরের মোঃ কাওছার উদ্দিন। ইমামদের পক্ষো আলোচনা করেন মোঃ মাহফুজার রহমান, মোঃ আব্দুর রশিদ, মোঃ লুৎফর রহমান, মোঃ রবিউল ইসলাম, মোঃ আব্দুল ওহাব ও মোঃ সামসুদ্দিন। সভা পরিচালনা করেন নাটাব সদস্য জাকিরুল ইসলাম জাকির।



 

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য