কাশী কুমার দাস  ॥ দিনাজপুর সিভিল সার্জন কার্যালয়ের যক্ষ্মা ও ল্যাপ্রসী বিষয়ক কনসালটেন্ট ডাঃ মাসতুরা বেগম বলেছেন বাংলাদেশে যক্ষ্মা একটি অন্যতম ঘাতক ব্যাধি। যা প্রতি বছর প্রায় ৩ লক্ষ লোক যক্ষ্মা রোগে আক্রান্ত হয়। এবং ৭০ হাজার মানুষ এ রোগের কারণে মৃত্যুবরণ করে। এ রোগ প্রতিরোধে গণসচেতনতা বৃদ্ধির বিকল্প নেই। শিক্ষকরা হচ্ছেন মানুষ বানাবার কারিগর। যক্ষ্মা রোগ প্রতিরোধে এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে শিক্ষকরা যথেষ্ট ভূমিকা রাখতে পারে। আসুন সকলে মিলে যক্ষ্মা মুক্ত দেশ গড়ি এবং আমাদের প্রজন্মকে একটি সুন্দর ও সুষ্ঠু দেশ উহার দিয়ে যাই।

বুধবার দিনাজপুর সদর উপজেলার ৪নং শেখপুরা ইউনিয়নে শহীদ জমির উদ্দিন গার্লস স্কুল এন্ড কলেজের হল রুমে বাংলাদেশ যক্ষ্মা নিরোধ সমিতি (নাটাব) আয়োজিত যক্ষ্মা রোগ প্রতিরোধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে শিক্ষকদের সাথে জেলা মত বিনিময় সভায় তিনি প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথাগুলো বলেন। বাংলাদেশ যক্ষ্মা নিরোধ সমিতি (নাটাব) দিনাজপুর জেলা শাখার সভাপতি তাহের উদ্দিন আহাম্মেদ এর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন শহীদ জমির উদ্দিন গার্লস স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ আব্দুল হামিদ।

প্রকল্প এবং বিষয়বস্তু নিয়ে আলোচনা করেন নাটাব কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের আঞ্চলিক প্রতিনিধি (দিনাজপুর অঞ্চল) মোঃ কাওসার উদ্দিন। শিক্ষকদের মধ্যে আলোচনা করেন প্রভাষক মোঃ আনিসুর রহমান। সহকারী শিক্ষক সুপ্রিয়াদেব, দিগন এসসি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মনি শংকর রায় প্রমুখ। সঞ্চালকের দায়িত্ব পালন করেন সহকারী শিক্ষক মনিজা মাকছুয়া।



 
 
 



 

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য