মো: ইউসুফ আলী, আটোয়ারী(পঞ্চগড়) প্রতিনিধি : হাড় কাঁপানো শীত আর কুয়াশায় পঞ্চগড়ের আটোয়ারী সহ উত্তরাঞ্চলে জনজীবন বিপর্য¯ত হয়ে পড়েছে। শৈত প্রবাহের ফলে শীতের তীব্রতা বেড়েছে। শৈত প্রবাহের কারনে কনকনে শীতে বেড়েছে দরিদ্র-অসহায় মানুষের দুর্ভোগ। শিশু ও বৃদ্ধ সহ অনেক মানুষ শীতজনিত নানা রোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।ফলে হাসপাতালে রোগীর ভীড়ও বাড়ছে।তীব্র শীতে শিশু ও বৃদ্ধ সহ দরিদ্র এবং খেটে খাওয়া শ্রমজীবি মানুষের দুর্ভোগ চরমে উঠেছে। দেখা দিয়েছে শীত জনিত নানান রোগের প্রকোপ। নিতান্ত প্রয়োজন ছাড়া লোকজন ঘরের বাইরে বের হচ্ছেন না। সন্ধার পর থেকে দুপুরের আগ পর্যন্ত শীতের তীব্রতা থাকছে সবচেয়ে বেশী। ঘন কুয়াশার কারনে দিনের বেলাতেও হেড লাইট জ্বালিয়ে যানবাহন চলাচল করছে। এলাকার হতদরিদ্র শীতার্ত মানুষের জন্য এখন পর্যন্ত সরকারিভাবে পর্যাপ্ত শীতবস্ত্র পাওয়া যায়নি তবে সরকারিভাবে বিভিন্ন আশ্রায়ন প্রকল্পে ও এতিমখানায় সামান্য কম্বল বিতরণের খবর পাওয়া গেছে। কয়েকটি এনজিও শীতার্তদের মাঝে নামে মাত্র শীতবস্ত্র বিতরণ করেছেন। ৩০ বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়নের পরিচালক লে: কর্নেল তুষার বিন ইউনুস এর নেতৃত্বে দারখোর এলাকার দুস্থ স্কুল পড়ুয়া শিশু ও অসহায় বৃদ্ধ নারী-পুরুষদের মাঝে শীতবস্ত্র হিসেবে পুরাতন কম্বল,কোট,জ্যাকেট ও সুইটার বিতরন করেছেন।শীতে সবচেয়ে বেশী কষ্টে পড়েছেন দিনমজুর,শ্রমজীবি মানুষ। প্রচন্ড শীতে তারা কর্মবিমুখ হয়ে পড়েছেন। অসহায় এসব মানুষের এমনিতেই তিন বেলা খাবার জোটেনা তারপর শীতে গরম কাপড় কেনা তাদের পক্ষে কষ্টসাধ্য। এদিকে পুরাতন শীতবস্ত্র ব্যবসায়ীরা জানান, শীত বেশী হলে ব্যবসা ভালো হয় আর শীত হালকা হলে ব্যবসায় মন্দা দেখা দেয়। শীতের তীব্রতা বেশী হওয়ায় কম্বলের তৈরী পুরাতন জ্যাকেট,কম্বল,গেঞ্জি, কোট ,সোয়েটার ইত্যাদি পুরাতন কাপড়ের চাহিদা বেড়ে যায়।



 
 
 



 

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য