আবু ছাইদ, ডোমার (নীলফামারী): নীলফামারী জেলার ডোমার উপজেলাটি ভারতীয় হিমালয় পাহাড়ের কাছাকছি হওয়ায় প্রতিবছরেই এই এলাকায় শীত মৌসুমে শীতের প্রকপটি বৃদ্ধি পায় বেশি। বিশেষ করে এই এলাকায় মধ্য আয়ের মানুষ এবং দিন মজুরের সংখ্যা বেশি থাকায় এলাকার বিভিন্ন সরকারী, বে-সরকারী ও গন্যমান্য ব্যক্তিরা এই এলাকায় শীত বস্ত্র বিতরণ করে থাকেন। অথচ এবারের চিত্রটি ভিন্ন। সরকারী ভাবে গুটি কয়েক শীত বন্ত্র কিছু সংখ্যক মানুষের মাঝে বিলি করলেও এখন পর্যন্ত প্রতিটি নিু আয়ের দিনমজুর মানুষদের হাতে পৌছে দিতে পারেনি কোন গোষ্ঠি। পাশাপাশি ২০ দলিয় ঐক্য জোটের লাগাতার অবরোধের কারণে এই নিু আয়ের খেটে খাওয়া মানুষদের রুটি রুজির পথ প্রায়ই বন্দ হয়ে যাওয়ার পথে। সেই পরিবার গুলো আজ তাদের পরিবার পরিজন নিয়ে বড় কষ্টে দিন যাপন করছে।
এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, ডোমার উপজেলাটি ১০টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভা নিয়ে গঠিত। এই উপজেলায় শতকরা ৭০ শতাংশ মানুষ মধ্যবিত্ত এবং দিনমজুর। বিশেষ করে এই এলাকায় কৃষি কাজের বেলায় এই দিন মজুরের সংখ্যাটি বেশি হওয়ায় এলাকার ধনী ব্যক্তিরা সেই ব্যক্তিদের দিয়েই তাদের সারা বছরের কৃষি কাজ সমাধান করে। শীত মৌসুম এলেই এই দিনমজুর মানুষ গুলোর চলাচলে বিঘ্ন ঘটে। এর মুল কারন শীত বস্ত্রের অভাব। সরকারী ভাবে যদিও এই এলাকায় কিছু শীত বস্ত্র প্রদান করা হয় তার থেকেও বেশী শীত বস্ত্র প্রদান করে থাকেন বে-সরকারী বিভিন্ন এন জি ও এবং এলাকার দানশীল ব্যক্তিরা। এবারের এই শীত বস্ত্র বিতরণের চিত্রটি ভিন্ন। সরকারী ভাবে কিছু শীত বস্ত্র বিতরন হলেও তেমন ভাবে বে-সরকারী বা কোন দানশীল ব্যক্তিকে এই শীতবস্ত্র বিতরণ করতে দেখা যায়নি। অপরদিকে এ ব্যাপারে বেশ কয়েকজন দিন মজুরের সাথে কথা বলে জানা গেছে তারা প্রতি এই শীত মৌসুমে কাজের সন্ধানে দেশের দক্ষিনাঞ্চলের দিকে পারি জমায়। কিন্তু ২০ দলিয় ঐক্য জোটের লাগাতার অবরোধের কারণে এই নিু আয়ের মানুষ গুলো লাগাতার অবরোধের কারনে যান বাহন ও ট্রেন যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন থাকায় এবং জীবনের নিরাপত্তা না থাকায় আজ পর্যন্ত যেতে পারেনি। তাদের পরিবার পরিজন নিয়ে নিজ এলাকায় টুকি টাকি কাজ করে বড় কষ্টে দিন যাপন করছে।



 
 
 



 

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য