আরিফ উদ্দিন, গাইবান্ধা থেকেঃ বিএনপি-জামায়াতচক্রের বিরুদ্ধে “জাগো গাইবান্ধা-জাগো পলাশবাড়ী- জাগো মিঠাপুকুর-জাগো বাংলাদেশ।” পুত্রদের রক্ষা ও যুদ্ধাপরাধীদের বাঁচাতে ইস্যুবিহীন আন্দোলনের নামে বোমা মেরে ও জ্বালাও-পোড়াওসহ নৈরাজ্য সৃষ্টি করে ক্ষমতায় যাওয়া যাবে না। রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় যেতে হলে আগামী ২০১৯ সাল পর্যন্ত অপেক্ষা করতেই হবে। যারা শান্তি প্রিয় মানুষের অশান্তি সৃষ্টি করে তাদের সঙ্গে কোন আপোষ নয়। গোটা বিশ্ব বলছে বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে। সন্ত্রাস-নৈরাজ্যকারী ২০দলের নিকট এ বাস্তবতা যেন বিষফোঁরায় পরিণত হয়েছে। টাকা দিয়ে পৃথিবীর প্রায় সবকিছুই কেনা যায়। কিন্তু প্রকৃত সুখ ও আনন্দ কেনা যায় না। খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে ২০দলীয় স্বাধীনতা বিরোধীচক্র তাদের অবৈধ সম্পদের পাহাড় থেকে রাজনীতির ছত্রছায়ায় নেপথ্যে সন্ত্রাসীদের কিঞ্চিত অর্থ দিয়ে বিরাজমান অস্থিরতার সৃষ্টি করা হয়েছে। বিএনপি’র নেতৃত্বে ২০ দলের অবরোধ-হরতাল, নাশকতা-সহিংসতা ও সন্ত্রাসসহ দেশব্যাপী নৈরাজ্যের বিরুদ্ধে ১৪দলের উদ্যোগে গতকাল রোববার বিকেল সাড়ে ৩টায় গাইবান্ধার পলাশবাড়ী এসএম পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ১৪দল কেন্দ্রীয় মুখপাত্র ও আওয়ামীলীগ সভাপতি মন্ডলীর সদস্য স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম এ কথা বলেন। উপজেলা ১৪দল আয়োজিত জনসভায় তিনি আরো বলেন, খালেদা জিয়া নিরীহ মানুষ মেরে দেশবাসীর সুখ ও আনন্দ কেনার ব্যর্থ চেষ্টা করছেন। ২০দলীয় জোট ক্ষমতার বাহিরে থাকলে একমোহ। আর ক্ষমতায় গেলে অন্যায় দূর্ণীতির মোহে লিপ্ত হয়। কোন অবস্থাতেই দেশে জঙ্গিবাদ বরদাস্ত করা হবে না। ১৬ কোটি মানুষের ৩২ কোটি হাতকে জনসম্পদে পরিণত করতে ১৪ দলীয় জোট সরকার নিরলস কাজ করে যাচ্ছে। খালেদার উদ্দেশ্যে বলেন ৭১’র পরাজিত শক্তি জামায়াত-শিবির আবারো মাথা চাড়া দিয়ে উঠেছে। এদের নির্মুল না করা পর্যন্ত এ যুদ্ধ অব্যাহত থাকবে।   খালেদা জিয়া আপনি মনে রাখবেন, জামায়াত-শিবিরকে ছাড়লেও তারা আপনাকে ছাড়বে না। উপজেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি ও সাবেক এমপি আলহাজ্ব তোফাজ্জল হোসেন সরকারের সভাপতিত্বে সন্ত্রাস-নাশকতা প্রতিরোধ জনসভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহামুদ চৌধুরী এমপি, কেন্দ্রীয় কোষাধ্যক্ষ এইচএন আশিকুর রহমান এমপি, স্থানীয় এমপি ডা. ইউনুস আলী সরকার, গাইবান্ধা-৪ আসনের এমপি অধ্যক্ষ আবুল কালাম আজাদ, সংরক্ষিত মহিলা এমপি এ্যাড. উম্মে কুলছুম স্মৃতি, জাসদ কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হক প্রধান এমপি, জাসদ কেন্দ্রীয় কমিটির যুব বিষয়ক সম্পাদক খাদেমুল ইসলাম খুদি, গণতান্ত্রিক পার্টিরর সভাপতি ডা. শাহাদৎ হোসেন, জেপি প্রেসিডিয়াম সদস্য এজাজ আহমেদ মুক্তা, সাম্যদলের বীরেন সাহা, বাসদ কেন্দ্রীয় আহবায়ক রেজাউল রশিদ খান, ওয়াকার্স পাটির পলিটব্যুরোর সদস্য আমিনুর ইসলাম গোলাপ, গাইবান্ধা জেলা পরিষদ প্রশাসক ও জেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি এ্যাডভোকেট সৈয়দ শামস-উল আলম হীরু, সাধারণ সম্পাদক আবু বক্কর সিদ্দিক, জেলা আওয়ামীলীগ নেতা মোহাম্মদ হোসেন ফকু ও বঙ্গবন্ধু প্রজন্মলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ শরিফুল ইসলাম প্রমুখ। সমগ্র জনসভাটি পরিচালনা করেন উপজেলা আওয়ামীলীগ সাধারণ সম্পাদক আবু বকর প্রধান।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য