আন্তর্জাতিক ডেস্ক: হাইতিতে ভয়াবহ ভূমিকম্প আঘাত হানার পর পাঁচ বছর পার হলেও ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি দেশটির মানুষ। কলেরার কারণে দেশবাসীর স্বাভাবিকভাবে বেঁচে থাকার প্রচেষ্টা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
মহামারি আকারে ছড়িয়ে পড়া এই রোগের জন্য সেখানে দুর্গত মানুষের সহায়তায় নিয়োজিত জাতিসংঘ সৈন্যদের দায়ী করা হলেও চলৎ এই রোগের দায়ভার নিতে অস্বীকার করেছে সংস্থাটি।
তবে সকল বৈজ্ঞানিক আলামত এই মহামারির জন্য সেখানকার জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী বাহিনীর দুর্বল স্যানিটেশন ব্যবস্থার দিকেই ইঙ্গিত করে। রোগটিতে ইতোমধ্যে আট হাজার হাইতিবাসী প্রাণ হারিয়েছে। খবর এএফপি’র।
এদিকে এর মাঝে জাতিসংঘ মহাসচিব বান কি-মুন হাইতিবাসীকে সহায়তার বিষয়টি জাতিসংঘের জন্য একটি ‘নেতিক দায়িত্ব’ বলে স্বীকার করতে যাচ্ছেন। কারণ সংস্থাটি সেখানে কলেরা প্রাদুর্ভাব ঠেকানোর উদ্যোগ নিতে যাচ্ছে।
সোমবার হাইতিতে ভূমিকম্প আঘাত হানার পঞ্চম বার্ষিকী। দিবসটিকে সামনে রেখে রেডক্রসের কর্মীরা কলেরায় সর্বশেষ যাঁরা মারা গেছে তাদের নিকটবর্তী বাড়িগুলোতে যাচ্ছেন।
রাজধানী পোর্ট-অ-প্রিন্সের উপকণ্ঠেই ক্যারিফোরে এক ব্যক্তিকে রেডক্রসের কর্মীরা ডায়রিয়ায় ভুগতে দেখেছেন। নেপালে এ রোগের ব্যাপক প্রাদুর্ভাব দেখা গেছে। আর হাইতিতে এই রোগ ছড়িয়ে পড়ার পেছনে যেই সেনা ঘাঁটিকে দায়ী করা হচ্ছে সেখানকার সৈন্যদের বাড়ি নেপালে।
চিকিৎসা কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বিপুলসংখ্যক কলেরা আক্রান্ত মানুষের চিকিৎসায় রেডক্রসের সঙ্গে কাজ করছে। গত বছর এই রোগে দেশটির প্রায় ৯ হাজার মানুষ আক্রান্ত হয়েছে। ২০১৩ সালে এই সংখ্যা ছিল ২ লাখ।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য