আটোয়ারী উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ ফরিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে সরকারী ত্রান তহবিলের টাকা আত্বসাত করার অভিযোগ উঠেছে। গত ৩১ আগষ্ট উপজেলার রাধানগড় ইউপির মালিগাও গ্রামে এক অগ্নিকান্ডে ঘুটা রামের পুত্র রতন চন্দ্রের ও ভটকার পুত্র খগেনের বাড়ি পুড়ে যায়। সংশ্লিষ্ট রাধানগড় ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ আবু জাহেদ ক্ষতিগ্রস্থ ২ জনের তালিকা উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে দাখিল করেন এবং প্রত্যেকের অনুকুলে নগদ ২ হাজার টাকা ও ৩০ কেজি করে চাল উত্তোলন পূর্বক বিতরন দেখানো হয়। পরবর্তীতে অভিযোগ উঠে, ্উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা, রাধানগড় ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ আবু জাহেদের দেওয়া ২ জনের নামের তালিকায় ০১ জনের ভূয়া নাম দেখিয়ে ৩ জনের নামে সরকারী কোষাগার থেকে অর্থ ও চাল উত্তোলন করে। শুধু ত্ইা নয় ঐ কর্মকর্তা তালিকায় যে, ভূয়া নামটি অন্তর্ভূক্ত করেছে ঐ নামে ঐ ঠিকানায় আদৌ কোন ব্যক্তি নাই। খোজ নিয়ে জানা গেছে তালিকায় অন্তর্ভূক্ত ভূয়া ব্যক্তিনির বাড়ি মির্জাপুর ইউনিয়নে এবং সে নিয়মিত ত্রান কর্মকর্তার কাজে নিয়োজিত।
এ ব্যপারে রাধাগনর মালিগাও গ্রামে গিয়ে রতন ও খগেনের সাথে কথা বললে তারা জানান, অগ্নিকান্ডে তাদের দু’জনের বাড়ী পুড়ে যায়। এই গ্রামে ওই দিন এছাড়া অন্য কাহারো বাড়ী-ঘর অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্থ হয়নি। এ বিষয় রাধানগড় ইউপি চেয়ারমান মোঃ আবু জাহেদ এ প্রতিনিধিকে বলেন, আমি ক্ষতিগ্রস্থ ২জনের তালিকা পাঠিয়েছি পিআইও সাহেব, আমার দেওয়া তালিকায় অন্য ইউনিয়নের বাসিন্দা তার মনপুত একটি ভূয়া নাম লিখে দিয়ে ওই টাকা আৎসাত করেছে।  এ ব্যাপারে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ ফরিদুল ইসলামের নিকট জানতে চাইলে তিনি বলেন, ঘটনাটি সত্য আমি ভূল বসতঃ রাধানগড় ইউপি চেয়ারম্যানের তালিকায় জোসনা দাস নামটি অন্তর্ভূক্ত করেছি। এটা আমার ভূল হয়েছে। মূলতঃ আটোয়ারী উপজেলায় ফায়ার সার্ভিস ষ্টেশন না থাকায় প্রতি বছর একাধিক অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটে থাকে। বিগত দিনে উপজেলার ৬ ইউনিয়নে ঘটে যাওয়া অগ্নিকান্ডের সংখ্যা ও ক্ষতিগ্রস্থদের ঘটনা অনেক। পূর্বেও একই ভাবে কাগজপত জালিয়াতি করে অর্থ আদায় করেছে কিনা তা গোপন তদন্ত করলে আরো জালিয়াতি ঘটনা বেরিয়ে আসতে পারে বলে এলাকাবাসীর অভিমতে প্রকাশ।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য