aaঅপহরণ ঘটনার ২৩ দিন পর বুধবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ থানা পুলিশ অপহৃত আদিবাসী স্কুল ছাত্রীকে উদ্ধার করেছে। তবে অপহরণের সাথে জড়িত ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারেনি থানা পুলিশ। ঘটনার পর থেকেই আদিবাসীদের মধ্যে আতঙ্ক ও উৎকন্ঠা দেখা দিয়েছে।

জানা যায়, গত ২৮ জানুয়ারি উপজেলার ভাদুরিয়া ইউনিয়নের খিদিরপুর আদিবাসীপাড়া গ্রামের গোবরা কেরকাটার স্কুল পড়ুয়া মেয়ে সেলিশটিনা কেরকাটা স্কুল যাওয়ার পথে অপহরণের শিকার হয়। বিষয়টি নিয়ে অপহৃতার পিতা থানায় সাধারণ ডাইরী দায়ের করেন। পরবর্তীতে গত মঙ্গলবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) পার্শ্ববর্তী শাল্টিমুরাদপুর গ্রামের বজলুর রহমানের ছেলে আব্দুল মতিনকে আসামী করে একটি অপহরণ মামলা দায়ের করেন অপহৃতার পিতা। মামলা দায়েরের পরদিন থানা পুলিশ অপহৃতা ঐ স্কুল ছাত্রীকের উদ্ধার করে আদালতে প্রেরণ করে।

অপহৃতার পিতা গোবরা কেরকাটা বলেন, তার মেয়ে স্কুলে যাতায়াতের সময় অপহরণকারি আব্দুল মতিন দীর্ঘদিন থেতে তাকে উত্যক্তসহ বিভিন্ন প্রকার প্রলোভন দেখিয়ে আসছিল। কিন্তু নাবালিকা মেয়ে তার কথায় কোন সায় না দেয়ায় আব্দুল মতিন তার সাঙ্গপাঙ্গদের নিয়ে জোর করে তার মেয়েকে অপহরণ করে নিয়ে গিয়েছিল।

থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এসকে আব্দুল্লাহ সাঈদ বলেন, অপহৃত আদিবাসী ঐ ছাত্রীটি জানিয়েছে মামলার আসামী আব্দুল মতিনের সাথে তার প্রেমের সম্পর্কের কারণে সে স্বেচ্ছায় আব্দুল মতিনের সাথে পালিয়ে গিয়ে ধর্মান্তরিত হয়ে রাবেয়া ইয়াসমিন নাম ধারণসহ মতিনকে বিয়ে করেছে। তবে সে নাবালিকা হওয়ায় ব্যাপারটি জটিল হয়ে গেছে। এ ব্যাপারে বিজ্ঞ আদালতই সিদ্ধান্ত দিবেন। 

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য