ব্রম্মপুত্র ও তার শাখা নদী গুলোর নাব্যতা  হারিয়ে রাজিবপুর ও রৌমারীর ২০ টি নৌরুট হুমকির মুখে পড়েছে । নদের বুক চিরে অসংখ্য চর ও ডুবো চর জেগে উঠায় নদের মাঝখানে যাত্রি বাহি ও পন্যবাহি নৌকা আটকে বিরম্বনার সৃষ্টি হচেছ প্রতিনিয়তই। অপর দিকে মাইলের পর মাইল পায়ে হেটে যেতে হচেছ নৌকা ঘাটে । ফলে ঘন্টার পর ঘন্টা সময়ও অপচয় হচেছ ।

জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে মারাতœক প্রভাব পড়েছে কুড়িগ্রামের  রাজিবপুর ও রৌমারীর নদ নদীর উপর । এছাড়া প্রতি বছর নদী ভাংগনের ফলে নদ নদীর নাব্যতা হারিয়ে ফেলেছে । নদের স্বাভাবিক গতি প্রকৃতি হারিয়ে ফেলায় এর প্রভাব পড়েছে জনজীবনে । কুড়িগ্রাম জেলার মূল ভুখন্ড থেকে বিচিছন্ন  রাজিবপুর ও রৌমারী  এবং চিলমারী ও উলিপুর উপজেলার বেশির ভাগ মানুষ নৌপথের উপর নির্ভরশীল । বিশেষ করে রাজিবপুর ও রৌমারী উপজেলার মানুষ নৌপথে উত্তাঞ্চলের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে থাকে । নাব্যতা হ্রাসের কারনে ইতিমধ্যে  রাজিবপুর থেকে দেওয়ানগঞ্জের বাহাদুরাবাদ নৌ পথ বন্ধ হয়েছে ।

বন্ধের উপক্রম হয়ে পড়েছে গাইবান্ধার বালাসি ঘাট ও চিলমারীর সাথে । একই ভাবে রৌমারীর সাথে চিলমারী,উলিপুর ও মোগলবাসা নৌকা ঘাট । চিলমারী নৌবন্দর ,ফুলুয়ারচর ঘাট,মদা ব্যাপারির ঘাট,চাক্তাবাড়ি ঘাট,কুটির চর ঘাট,কোদাল কাটির ঘাট এখন বন্ধ । নদ নদীতে পানি না থাকায় নৌপথ গুলো বন্ধ হযেছে বলে ব্যবসায়িরা জানান । নাব্যতা না থাকায়  এ অঞ্চলের কয়েক লক্ষ মানুষের যোগাযোগের ক্ষেত্রে মারাতœক  প্রতিবন্ধকতার সৃস্টি হযেছে ।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য