বিরামপুর প্রতিনিধি: দেশ ও স্বাধিকারের জন্য আমাদের দামাল ছেলেরা যৌবনের দুরন্ত সময়ে দেশ মাতৃকার টানে মুক্তিযুদ্ধে ঝাপিঁয়ে পড়ে শত্রুদের কবল থেকে ৬ ডিসেম্বর দিনাজপুরের বিরামপুর মুক্ত হয়। স্বাধীন বাংলার আকাশে উড়ে বিজয়ের পতাকা

ভারতের কালিয়াগঞ্জ তরঙ্গপুর ক্যাম্পে বিরামপুর উপজেলার ২৮০জন মুক্তিযোদ্ধা প্রশিক্ষণ নেন। পাক হানাদার বাহিনীর সাথে ৯ মাস যুদ্ধ করে ২০জন শহীদ ও ১৫জন গুরুত্বর আহত হন। অবশিষ্ট মুক্তিযোদ্ধাগণ অবশেষে পাকবাহিনীকে এলাকা থেকে বিতাড়িত করে ১৯৭১এর ৬ ডিসেম্বর বিরামপুরকে শত্রুমুক্ত করে স্বাধীন বাংলার পতাকা উত্তোলন করেন।

মুক্তিযোদ্ধারা বিরামপুরকে পাক হানাদার বাহিনীর হাত থেকে রক্ষা করার জন্য ঘোড়াঘাট রেলগুমটি, কেটরা শালবাগান, ভেলারপাড় ব্রিজ, ডাকবাংলা, পূর্বজগন্নাথপুর মামুনাবাদ বাঙ্কার বসিয়ে সর্তকত অবস্থায় থাকতেন।

পাকসেনারা ৪ ডিসেম্বর পাইলট স্কুলের সন্মুখে ও ঘাটপাড় ব্রিজে প্রচন্ড শেলিং করে ভাইগড় গ্রাম দিয়ে তীরমনিতে ৪ টি শেল নিক্ষেপ করে। লোম হর্ষক ও সন্মুখ যুদ্ধে কেটরা হাটে ১৬ মুক্তি যোদ্ধা সহ ৭ পাক হানাদার বাহিনী নিহত ও শতাধিক মুক্তিযোদ্ধা আহত ও পঙ্গুত্ব বরণ করে। এতে উপজেলার ২০ মুক্তিযোদ্ধা শহীদ হন, পঙ্গু হন ২জন, যুদ্ধে মারাত্মক ভাবে আহত হন ১৩ জন।

দিবসটি পালন উপলক্ষ্যে ৬ ডিসেম্বর বিরামপুর প্রেসক্লাব এবং বিরামপুর মুক্তিযোদ্ধা সংসদ আয়োজনে মুক্ত আলোচনা, মুক্তিযোদ্ধা সমাবেশ ও শহীদদের আত্মার শান্তি কামনায় বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হবে।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য