কুড়িগ্রাম শহর ও আশপাশ এলাকায় অভিনব কায়দায় মোটরসাইকেল চুরি এবং গ্রিলকেটে বাসাবাড়ি চোর চক্রের পলাতক ৫ আসামিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার মোটরসাইকেল চুরির হোতা শামীম (২৫) কে ১ দিনের রিমান্ডে নেয় পুলিশ। এরআগে তার সহযোগী রাজু, শামিম-২ ও লিমন এবং গ্রিলকাটা চক্রের হোতা মঞ্জিলকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এছাড়া মঙ্গলবার ভোরে গাঁজা ব্যবসায়ী রফিকুল ইসলামকে ১ কেজি গাঁজাসহ আটক করা হয়। গত দু’সপ্তাহে বিভিন্ন গুরুতর অপরাধে জড়িত দাগী ২৫ জন অপরাধীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় শহরে সাধারণ মানুষের মাঝে স্বস্তি ফিরে এসেছে। বাড়ি চুরি ও মোটরসাইকেল চুরির শিকার ভুক্তভোগীরা খোঁজখবর করছে পুলিশের কাছে, চোরাইমাল ফেরতের আশায়।
জানা যায়, কুড়িগ্রাম শহর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই আবু তালেব এর নেতৃত্বে সাঁড়াশি অভিযানে এসব দাগী আসামি গ্রেফতার হয়। এরমধ্যে কুড়িগ্রাম শহরের রৌমারী পাড়ার সাইদূরের ছেলে মোটরসাইকেল চুরির হোতা শামীমকে গ্রেফতার করার পর তার দেয়া তথ্য অনুযায়ী পুরাতন স্টেশন পাড়ার লিমন, পাওয়ার হাউজ পাড়ার রাজু ও উলিপুর উপজেলার যতিনের হাট এলাকা থেকে শামিম-২ এবং গ্রিলকাটা চক্রের মূল হোতা উলিপুর উপজেলার দুর্গাপুর এলাকার মঞ্জিলকে গ্রেফতার করে। এছাড়া মঙ্গলবার ভোরে সদরের ধরলা ব্রিজ এলাকা থেকে ফুলবাড়ি উপজেলার আজোয়াটারী গ্রামের লুৎফর রহমানের ছেলে রফিকুল ইসলামকে ১ কেজি গাঁজাসহ গ্রেফতার করা হয়। রফিকুল শরীরে বিশেষভাবে গাঁজা পরিবহন করছিল। এছাড়াও মাদক ব্যবসাসহ গুরুতর অপরাধে জড়িত আরো ২০ জনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এনিয়ে বিভিন্ন অপরাধে ২৫জন কে গ্রেফতার করা হয়। এদের মধ্যে শামীমকে ১দিনের রিমান্ড শেষে মঙ্গলবার আদালতে সোপর্দ করা হয়। সূত্রমতে এসআই আবু তালেব গত নভেম্বর মাসে শহর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ হিসেবে যোগদানের পর থেকে অপরাধী চক্রের চোখে মূর্তিমান আতঙ্ক হিসেবে পরিণত হয়েছে। কুড়িগ্রাম শহর পুলিশ ফাঁড়ির ওসি এসআই আবু তালেব জানান, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তবারক উল্লাহ্’র দিক নির্দেশনায় সকল ধরনের অপরাধ দমনে সাঁড়াশি অভিযান অব্যাহত আছে।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য