11_uSa_react_আন্তর্জাতিক ডেস্ক :  যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার নির্বাহী ক্ষমতাবলে অভিবাসন আইন সংস্কারের পদক্ষেপের তীব্র নিন্দায় সরব হয়ে উঠেছেন রিপাবলিকানরা।  মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদের রিপাবলিকান স্পিকার জন বোয়েনার বলেছেন, এতে করে দুই দলের মতামতের ভিত্তিতে সংস্কারের সুযোগ নস্যাৎ হয়েছে, এমনকি প্রেসিডেন্ট পদটিরও বারোটা বেজেছে। ওবামা নতুন যে অভিবাসন নীতি ঘোষণা করেছেন তাতে যুক্তরাষ্ট্রে প্রায় ৫০ লাখ অবৈধ অভিবাসী কাজের বৈধতা পাওয়ার জন্য আবেদন করতে পারবে। বোয়েনার বলছেন, ওবামার এ পদক্ষেপে যুক্তরাষ্ট্রে অবৈধদের প্রবেশ উৎসাহিত হবে। সমালোচনা করে তিনি বলেন, “ওবামা নির্বাহী আদেশ দিয়ে আমেরিকার একজন প্রেসিডেন্টর মত নয় বরং একতরফাভাবে একজন সম্রাটের মতই আচরণ করেছেন। গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় তিনি কাজ করেননি। জনগণের ইচ্ছা উপেক্ষিত হয়েছে। এতে তার প্রেসিডেন্সিই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে”।

বোয়েনারের মত উচ্চ পর্যায়ের অনেক রিপাবলিকান নেতাও ওবামার নিন্দায় মুখর হয়েছেন। ফ্লোরিডার সাবেক রিপাবলিকান গভনর্র জেব বুশ ওবামার সিদ্ধান্ত একেবারেই বিচক্ষণ হয়নি এবং সঙ্কটের স্থায়ী সমাধান খোঁজার ব্যাপারে কংগ্রেসের সব চেষ্টা বিফলে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন। ওবামাকে কটাক্ষ করে আরেক রিপাবলিকান কেনটাকি সিনেটর র‌্যা ন্ড পল বলেন, “তিনি (ওবামা) বসে থাকবেন না। এরপর দেখা যাবে তিনি কংগ্রেসের পাশাপাশি আমাদের সংবিধানকেও পাশ কাটিয়ে যাচ্ছেন”।  প্রেসিডেন্ট আইনের ঊর্ধ্বে নন এবং তার নির্বাহী ক্ষমা ঘোষণার কোনো এখতিয়ার নেই বলেও মন্তব্য করেন পল। যদিও ওবামা বলছেন আগের প্রেসিডেন্টদের পথ অনুসরণ করেই তিনি এমন পদক্ষেপ নিয়েছেন।  কিন্তু টেক্সাসের রিপাবলিকান সিনেটর টেড ক্রুজের ভাষ্য, ওবামার পদক্ষেপটি কেবল অসাংবিধানিকই নয়, এটি আমেরিকান জনগণেরও বিপক্ষে যারা এর বিরোধিতা করে আসছিল। তাছাড়া, যুক্তরাষ্ট্রে বৈধভাবে যাওয়া অভিবাসীদের জন্যও এ এক ধরনের অবিচার।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য