10_vap_আন্তর্জাতিক ডেস্ক :  অক্সফোর্ড অভিধানে এ বছর ‘ওয়ার্ড অব দ্য ইয়ার’ ঘোষণা করা হয়েছে ‘ভ্যাপ’ শব্দটিকে।  বিভিন্ন ইলেকট্রনিক ডিভাইসের মাধ্যমে ধূমপানের ক্রিয়াকেই ভ্যাপ বলে বোঝানো হয়। আর এ কারণে কয়েক বছরে শব্দটি বহুল ব্যবহৃত হয়েছে। অক্সফোর্ড কর্তৃপক্ষের বরাতে বিবিসি জানিয়েছে, দুই বছরে দিনে অন্ততপক্ষে ৩০ বার ভ্যাপ শব্দটি বিশ্বের অধিকাংশ মহলে বলা হয়েছে।

অক্সফোর্ড অভিধানের সম্পাদকমণ্ডলীর পরিচালক জুডি পারসল বিবিসিকে বলেন, যেহেতু ভ্যাপিং ও এর সমার্থক শব্দগুলো জনস্বাস্থ্য ঝুঁকি নিয়ে উঠে আসা বিভিন্ন বিতর্কে এবং এ সংক্রান্ত ধারাবাহিক আলোচনায় অবাঁধে অন্তর্ভুক্ত হয়ে গেছে এবং বেশি ব্যবহৃত হচ্ছে তাই ২০১৪ সালের জন্য এই শব্দটিকেই চিহ্নিত করা হয়েছে। বিগত কয়েক বছরে সেলফির পর সবচেয়ে আলোচিত হয়েছে ভ্যাপ শব্দটি।

স্বাস্থ্যঝুঁকি কমানোর অজুহাতে ক্রমেই বিশ্বে ই-সিগারেট বা ইলেকট্রনিক ধূমপানের জনপ্রিয়তা বাড়ছে। এছাড়া অদাহ্য হওয়ায় এতে দুর্ঘটনার ঝুঁকিও কম থাকে। আর এর বদৌলতে ই-সিগারেটের সমার্থক হিসেবে আলোচনায় চলে এসেছে ভ্যাপ। অভিধানের এই খেতাব পেতে ভ্যাপের প্রতিদ্বন্দ্বী ছিল আরো দুটি শব্দ। এগুলো হল, বেই ও ইনডেরিফ।

সর্বপ্রথম ১৯৮৩ সালে ভ্যাপ শব্দটি প্রকাশ পায় রব স্টেপনির লেখা হোয়াই ডু পিপল স্মোক) শীর্ষক একটি প্রতিবেদনে। তিনি লিখেছিলেন ইনহেলার বা অদাহ্য সিগারেটগুলো আসল সিগারেটের মতোই লাগে, কিন্তু নিকোটিন টানার মাত্রাকে নিয়ন্ত্রণ করা হয় সেটাতে মিটার দিয়ে। নতুন এই অভ্যাসকে আসলে ভ্যাপিং হিসেবেই বলতে হবে।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য