কুড়িগ্রামের রাজিবপুরে একটি সেতুর অভাবে সীমান্তবর্তি ২০ গ্রামের কয়েক হাজার মানুষের ভোগান্তি। বর্ষা মৌসুমে নৌকা আর শুষ্ক মৌসুমে ঝুঁকিপূর্ণ বাশেঁর সাকোঁ পারাপারের একমাত্র ভরসা। ফলে বিগত শত বছরেও উন্নয়নের তেমন কোন ছোঁয়া লাগেনি ওই এলাকায়। যোগাযোগ ও যাতায়াত ক্ষেত্রে পিছিয়ে পড়া এলাকাবাসির একটি মাত্র দাবি জিনজিরাম নদীতে সেতু চাই। জিনজিরাম নদীর উপর দিয়ে সেতুটি নির্মাণ করা হলে সীমান্ত বাসির সকল ক্ষেত্রে এগিয়ে আসতে বাঁধাঁ থাকবেনা। পিছিয়ে পড়া সীমান্ত বাসি যাতায়াতে সুবিধা পেলে কৃষি ক্ষেত্রে,ব্যবসা-বাণিজ্যে,শিক্ষা-দীক্ষায় উপজেলার অন্যান্য গ্রামবাসীদের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে পারবে। সুবিধা পাবে সীমান্ত রক্ষা বাহিনী বিজিবি। সেতু না থাকায় সীমান্ত এলাকায় মাদক পাচার,চোরাচালান রোধ,নারী ও শিশু পাচার বন্ধে তেমন কোন ভুমিকা রাখতে পারেনা। সীমান্ত বাসি চিকিৎসা সেবা ও সীমান্তের জরুরী প্রয়োজনে সহজে উপজেলার সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হয় না। যাতায়াতের অসুবিধার জন্য অনেক প্রসুতি মায়ের অকাল মৃত্যু হচেছ। সরে জমিন ঘুরে দেখা গেছে,সীমান্ত বর্তি ২০ গ্রামের মানুষ উপজেলার সাথে যোগাযোগ করতে হলে জিনজিরামের নদীর উপরের ৬টি খেওয়া নৌকা পাড়ি দিয়ে আসতে হয়। অথচ ওই নদীর উপরে সেতু নির্মাণ করা হলে প্রায় ৫০ হাজার জনসাধারণ কষ্টের হাত থেকে বেচেঁ যাবে। কলাবাড়ি ও বাওর গ্রাম নিকট অথবা বালিয়ামারী ও লাঠিয়াল ডাঙ্গা গ্রামের সংযোগ স্থলে সেতু নির্মাণ করার জন্য সীমান্ত বাসি দীর্ঘদিন যাবত দাবি করে আসছেন। এর মাঝে লালকুড়া ও খেওয়ার চর এলাকায় একটি রাবার ড্রাম নির্মাণের কাজ দীর্ঘদিন যাবত স্থগিত হয়ে রয়েছে। অথচ সাবেক এমপি মরহুম গোলাম হোসেন সময় থেকে শুরু করে তার ছোট ভাই বর্তমান এমপি রুহুল আমিন সাহেবও ওই জিনজিরাম নদীর উপর দিয়ে খেওয়া নৌকা চড়ে পার হয়ে আসেন উপজেলা শহরে। ঐতিহ্য বাহি রৌমারী হাট,শত বছর পুরাতন বালিয়ামারী হাট ও বালিয়ামারী বর্ডার হাটে জিনজিরাম নদী পাড়ি দিয়ে আসতে হয় ওই এলাকার জন সাধারণ কে। ডিজিটাল যুগে অত্র এলাকার মানুষ আর এনালগ থাকতে চান না। অতি শীগ্রই যোগাযোগ মন্ত্রী ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ওই এলাকার মানুষের সুবিধার জন্য একটি সেতু নির্মাণ করে দিবেন বলে এলাকাবাসির দাবি।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য