ক্ষেতে পোকার আক্রমণমোঃ আব্দুস সালাম- চিরিরবন্দর (দিনাজপুর) থেকেঃ- দিনাজপুর চিরিরবন্দর উপজেলায় কারেন্ট মাজরা পোকা ও খোলপঁচা রোগের আক্রমনে আমন ক্ষেত বিনষ্ট হয়ে যাচ্ছে। বিভিন্ন ধরনের কীটনাশক ব্যবহার করেও কোন লাভ হচ্ছে না। ফলে কৃষকরা হতাশায় দিশেহারা হয়ে পড়েছে। উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে চিরিরবন্দর উপজেলার লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ২২ হাজার ৮ শ ১৮ হেক্টর জমিতে আমন ধানের চাষ হয়েছে।

এ বারে আমন মৌসুমে ২২ হাজার ৮ শ ১৫ হেক্টর আমন ধান অর্জিত হবে বলে কৃষি অফিস আশাবাদ ব্যক্ত করেছে। এবার আমন ধানের চারা লাগানোর পরেই প্রচন্ড খরা। প্রচন্ড খরার পর বৃষ্টি বৈরী আবহাওয়াসহ মাজরা কারেন্ট পোকা, খোলপঁচা ধানের গাছ হলদে রঙের নানা গজব পড়ে। যে ক্ষেতে এ পোকা আক্রমণ করে দু’একদিনের  মধ্যে সেই ক্ষেতে সর্বত্র আক্রমণ ছড়িয়ে পড়ে। আমন ধান-রোপনের পর থেকে সঠিক ভাবে বৃষ্টি না হওয়ায় ধান গাছগুলো লালচে হয়।

এ কারণে ক্ষেতে কারেন্ট মাজরা ও বিভিন্ন রোগ দেখা দেয়। মাজরা পোকা কারেন্ট পোকার আক্রমণের কারণে ফসলের ক্ষতি হচ্ছে। কৃষকদের এসব রোগ বালাই বিষয়ে সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ তুলে ধরেন। উপজেলার ১২টি ইউনিয়নের মধ্যে কয়েকটি ইউনিয়নে ঘুরে দেখা যায় কারেন্ট পোকার আক্রমণের কারণে আমন ধানের ক্ষেত লালচে হয়ে ধানের শীষ বের হতে পারছে না, খড় হয়ে যাচ্ছে। কৃষকরা জমিতে কীটনাশক ¯েপ্র করেও ফসল রক্ষা করার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করে যাচ্ছে। কিন্তু এতেও কোন লাভ হচ্ছে না।

নাম প্রকাশের অনিচ্ছুক একজন কৃষক বলেন আর কত বার জমিতে স্প্রে করবো? এ যাবত ৩/৪ বার স্প্রের করছি। তবুও কারেন্ট ও মাজরা পোকা জমি থেকে সরাতে পারছি না। এটি এমন একটি পোকা, সেখানে কোনো ঔষধে কাজ করে না। এত টাকা খরচ করে আবাদ করি তাও যদি পোকায় খায়, তার চেয়ে আবাদ না করাই ভাল। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শ্রী বিপ্লব কুমার মোহন্ত এর সঙ্গে মুঠোফোনে কথা হলে তিনি জানান এখন পর্যন্ত পোকার আক্রমণ সহনশীল পর্যায়ে রয়েছে।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য