18-10-2014এম আহসান কবিঃ দিনাজপুর সদর উপজেলার ১০ নং কমলপুর ইউপির সাদীপুর হাজিপাড়া গ্রামটি সম্প্রতি যৌতুক লোভী জনপদে পরিনত হয়েছে। কোতয়ালী থানার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, এ গ্রামের বাসিন্দা মোসলেম উদ্দিন ধলুর স্ত্রী দুই সন্তানের মা গৃহবধু রেজিনা (৩২) গত ১৫ই অক্টোবর ভোর ৫টা নিজ স্বামী-শাশুড়ী, স্বামীর চাচাতোভাই-ভাবী ও অর্ধ শত প্রতিবেশীর দ্বারা বাড়ীর অদূরে খুলিয়ানের ইউক্যালিপ্টাস গাছে রশি দিয়ে বাধা অবস্থায় ৫০ হাজার টাকা যৌতুকের দায়ে মধ্যযুগীও কায়দায় অমানবিক বর্বর নির্যাতনে শরীরে মাথাসহ সর্বাঙ্গে লাঠি ও বাঁশের আঘাতে রক্তাক্ত যখম হয়। জানা গেছে, ইতিপূর্বেও ওই পাসন্ড স্বামী বিবাহের পর থেকেই গৃহবধু রেজিনাকে প্রায় নির্যাতন করত। এ নিয়ে তার স্বামী বাড়িতেও কয়েকবার শালিস বৈঠকও হয় এবং আরো কখনো যৌতুক চাইবনা ও মারডাং করিবনা মর্মে বৈঠকগুলিতে স্বীকারক্তিও দেয় পাসন্ড স্বামী মুসলিম উদ্দিন ধলু। সরেজমিনে দিমেক হাসপাতালে আহতের অবস্থা পরিদর্শনে গেলে আহত গৃহবধু রেজিনা জানান ১৫ অক্টোবর ভোর ৫টায় যৌতুকের টাকার দায়ে তর্ক বিতর্কের এক পর্যায়ে আমার স্বামী, শাশুরী ও প্রতিবেশী আক্কাশ (৩২), আবেদ (৪২), বেলি (৩৮), সালেহুর (৩৫), মজিবর (৫৫) সালেহা (৫০), মোস্তাফিজুর (৫০), লালটু (৩৭) সফিকুল (৩৬), সালাম (৩৩), শাহনাজ (৪২), আহিমা (৪৫), আব্দুল্লাহ (৩৫) সবুজার (৩৬), জলিল (৪৮), চেন্দেরু (৫২) ও কাছা (৫৫) এক জোট হয়ে বাড়ী হইতে ৭০/৮০ গোজ দূরে খুলিয়ানের ইউক্যালিপ্টাস গাছে দড়ি দিয়ে বেধে লাঠি ও বাঁশ দিয়ে মারধর করে মাথা ফাটিয়ে রক্তাক্ত যখম করে। উল্লেখ্য এ ধরনের নির্যাতন একটি শালিস অযোগ্য অপরাধ। তিনি আরো জানান, এতবড় ঘটনায় আমাদেরকে রক্ষাও করতে আসেনি। আমার ছেলে ইমরান ও মেয়ে মনিশা আমার অবস্থা আসঙ্কা জনক দেখে ঘটনাস্থল থেকে দৌড়ে ৭-৮ কিলো দূরে আমার পিতা মাতাকে গিয়ে খবর দিলে তারা সকাল ১০টায় এসে ঘটনাস্থলে গাছে বাধা মারাক্তক আহত অবস্থা থেকে আমাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করায়। পরে আমি আমার চাচার সাথে অসুস্থ্য অবস্থায় থানায় গিয়ে একটি এজাহার দায়ের করি। কিন্তু আমার আকুতি আমার বাবা-মা ও চাচারা ছাড়া ওরা কেউ আমাকে দেখতে আসেনি আমি বেঁচে আছি না মারা গেছি। আমি পুলিশ, সাংবাদিক সমাজ সহ সকাল মানবাধিকার সংস্থার প্রতি তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আকুল আবেদন জানাচ্ছি।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য